দোহাজারী থেকে কক্সবাজার হয়ে গুণধুম পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারণের কাজ এগিয়ে চলেছে দ্রুত

0

দোহাজারী থেকে কক্সবাজার হয়ে গুণধুম পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারণের কাজ এগিয়ে চলেছে দ্রুত। সরকারের অগ্রাধিকার পাওয়া মেগা এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের সঙ্গে রেলপথে যুক্ত হবে পর্যটন নগরী কক্সবাজার। পর্যটন শিল্প বিকাশের সম্ভাবনাকে সামনে নিয়ে এই রুটে আন্তর্জাতিক মানের রেলগাড়ি সংযোজনের কথা জানান রেলমন্ত্রী। তবে অবহেলিত দক্ষিণ চট্টগ্রামের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে স্টপেজ চান সাধারণ মানুষ। আর প্রকল্প বাস্তবায়নকারী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দাবি ইতিমধ্যে ৩০ শতাংশের ওপর কাজ শেষ করেছে তারা।

চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে কক্সবাজার হয়ে টেকনাফের গুনধুম সীমান্ত পর্যন্ত যাবে ডুয়েল গেজের এই রেলপথ। ভবিষ্যতে যা মিয়ানমার, ইরান হয়ে তুরস্ক পর্যন্ত সংযুক্ত হয়ে বাণিজ্যিক সম্ভ্যাবনাকেও সম্প্রসারিত করবে। যা ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ে করিডোর হিসেবে পরিচিতি পাবে। তবে, এই মুহুর্তে কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পকে পুঁজি করেই এগোচ্ছে সরকারের অগ্রাধিকার পাওয়া মেগা এই প্রকল্পের নির্মাণকাজ। তাই আন্তর্জাতিক মানের রেলকোচে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মধ্যে ননস্টপ সার্ভিস পরিচালনার কথা জানান রেলমন্ত্রী।

দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত প্রায় ১০০ কিলোমিটার প্রকল্প এলাকাজুড়ে চলছে বিশাল কর্মযজ্ঞ। ইতিমধ্যে প্রায় ৩০ শতাংশ কাজ শেষও হয়েছে বড় এই প্রকল্পের। তবে ২০ কিলোমিটার এলাকায় জমি অধিগ্রহণ নিয়ে জটিলতা নিরসন হয়নি এখনো। সময়মতো জমি বুঝে পেলে নির্ধারিত সময়ে প্রকল্পের কাজ শেষ করার আশা জানান ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের এই কর্মকর্তা।

দীর্ঘদিন পর এতবড় একটি প্রকল্প হচ্ছে দক্ষিণ চট্টগ্রামের ওপর দিয়ে। তাই পটিয়া, লোহাগাড়া, দোহাজারী ও সাতকানিয়াসহ গুরুত্বপুর্ণ পয়েন্টগুলোতে স্টেশন চান স্থানীয়রা। ২০১০ সাল থেকে কাজ শুরু হলেও ২০১১ সালের ৩ এপ্রিল এই প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কয়েক দফায় সংশোধনের পর ১৮ হাজার ৩৪ কোটি টাকা ব্যায়ে প্রকল্পটির মেয়াদকাল ধরা হয়েছে ২০২২ সাল পর্যন্ত। যার মধ্যে দোহাজারী থেকে গুনধুম পর্যন্ত ১২৮ কিলোমিটার নতুন লাইন স্থাপনের পাশাপাশি চট্টগ্রাম থেকে দোহাজারী পর্যন্ত পুরনো লাইনের সংস্কার কাজও অন্তর্ভুক্ত আছে।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন