দেশে নতুন বছরে নতুন বই পেয়ে খুশির ঝিলিক ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের চোখে মুখে

0

দেশে নতুন বছরে নতুন বই পেয়ে খুশির ঝিলিক ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের চোখে মুখে। নতুন শ্রেণিতে উন্নীত হওয়ার সঙ্গে হাতে রঙিন মলাটের ঝকঝকে নতুন বই পেয়ে খুশির মাত্রা বেড়ে গেছে কয়েকগুণ। কিন্তু এ সব কোনো কিছুরই ছোঁয়া লাগেনি টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার রাজাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে। কয়েকদফা যমুনার ভাঙ্গনের ফলে অস্তিত্ব হারিয়েছে বিদ্যালয়টি। ফলে নৈশপ্রহরির পরিত্যক্ত ঘরে কোনরকমে চলছে পাঠদান। জেলা প্রশাসন বলছে, খুব শীঘ্রই বিদ্যালয়টিতে নতুন ভবন নির্মান করা হবে।

১৯৩৮ সালে ভূঞাপুর উপজেলার ডিগ্রির চর এলাকায় রাজাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর এ পর্যন্ত প্রায় কয়েক দফা ভাঙ্গনের কবলে পড়ে বিদ্যালয়টি। সর্বশেষ ২০১৮ সালের মে মাসে পুরো বিদ্যালয়টিই নদীগর্ভে বিলিন হয়ে যায়। নদীতে বিলিন হওয়ার পর বন্ধ হয়ে যায় বিদ্যালয়টির যাবতীয় কার্জক্রম। এ সময় বিদ্যালয়ের নৈশ্যপ্রহরী কাম দফতরির বাড়ির আঙ্গিনার একটি পরিত্যক্ত ঘরে চলছে বিদ্যালয়ের পাঠদান । বিদ্যালয়টির নতুন ভবন নির্মানের জন্য দফতরি কাম নৈশ্য প্রহরী খন্দকার মাসুদুর রহমান তার নিজস্ব আট শতাংশ জায়গা দিলেও অর্থাভাবে মাটি ভরাটসহ ঘর নির্মান এখনও সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে খুব দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দিয়েছেন জেলা প্রশাসক। কয়েক দিনের শৈত্য প্রবাহে মকোমলমতি শিক্ষার্থীদের অনেকে ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হওয়ায় বিদ্যালয়ে উপস্থিতি কমে গেছে। তাই শিশুদের কথা মাথায় রেখে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে কর্তৃপক্ষ। এমনটাই দাবি এলাকাবাসীর।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন