দেশের ১৬ কোটি মানুষের জন্য হাইকোর্টের মাত্র ৪টি ভার্চুয়াল বেঞ্চ

0

দেশের ১৬ কোটি মানুষের জন্য হাইকোর্টের মাত্র ৪টি ভার্চুয়াল বেঞ্চ, প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম বলে মনে করেন সাধারণ আইনজীবীরা। তারা বলেন, করোনাকালীন সময়ে উচ্চ আদালতে ৩০টির বেশী ভার্চুয়াল বেঞ্চ খোলা ছিল। তাই আইনের শাসনের স্বার্থে দ্রুত এই আদালতের সংখ্যাও বাড়ানো প্রয়োজন। এর আগে লকডাউনে সীমিত পরিসরে বিচারিক কার্যক্রম চালাবার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে সুপ্রিমকোর্ট প্রশাসন।

সময় যত যাচ্ছে দেশজুড়ে ততই বাড়ছে প্রাণঘাতি ভাইরাস করোনার সংক্রমণ।

করাল সেই ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা পায়নি বিচার বিভাগও। সময় যত গড়াচ্ছে ততই দীর্ঘ হচ্ছে বিচার সংশ্লিষ্টদের মৃত্যুর মিছিল।

পরিস্থিতি যখন এতটাই নাজুক তখন সরকার ঘোষিত লকডাউনে সীমিত পরিসরে বিচারবিভাগ চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সুপ্রিমকোর্ট প্রশাসন। জারি করা প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, লকডাউনে হাইকোর্ট বিভাগে চারটি ভার্চুয়াল বেঞ্চ এবং সপ্তাহে দু’দিন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতের বিচারিক কার্যক্রম চলবে।

পাশাপাশি দেশের অধস্তন আদালতসমূহের মধ্যে জেলা ও মহানগরে একজন চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অথবা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা জরুরি বিচারকার্য পরিচালিত হবে।

তবে, সুপ্রিমকোর্ট প্রশাসনের নেয়া ওই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান সাধারণ আইনজীবীরা। তারা বলেন, করোনাকালীন সময়ে ৩০টির বেশী ভার্চুয়াল আদালতে বিচার কাজ হয়েছে, তাই লকডাউনে এত অল্প সংখ্যক বেঞ্চ, কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

দ্রুত বেঞ্চ সংখ্যা বাড়ানো না হলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি আসে আদালত চত্বরে সাধারণ আইনজীবীদের এই মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন