দেশের বিভিন্ন জেলায় চলছে বিমান দুর্ঘটনার আহাজারী

0

হিমালয়কণ্যার দেশে প্রকৃতি আর অরণ্যে অবসর কাটানো, কারো বা ব্যবসায় কিংবা স্বজনের কাছে ফেরার তাগিদেই চড়ে বসা ইউএস বাংলার বিএস টু ওয়ান ওয়ান ফ্লাইটে। কিন্তু কে জানতো, এটাই হবে তার পরপার যাত্রা। মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনায় নিহত দেশের বিভিন্ন জেলার এসব যাত্রীর বাড়িতে চলছে স্বজনদের আহাজারী।

রাজধানীর কাছের জেলা মানিকগঞ্জের মেয়ে তাহিরা তানভীন শশী। বিবাহ বার্ষিকী উদযাপন করতে ব্যস্ত স্বামী ডা. রেজওয়ানুল হক শাওনকে নিয়ে যাচ্ছিলেন নেপাল। কিন্তু হলো না ওদের নেপাল দেখা। শশীর হল অনন্ত যাত্রা, আর ডা. রেজওয়ান যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছেন কাঠমান্ডুর হাসপাতালে।

বিধ্বস্ত বিমানে যাত্রী ছিলেন, বরিশালের মেডিকেল ছাত্র পিয়াস রায়। বাকেরগঞ্জ উপজেলার দাড়িয়াল ইউনিয়নের সুখেন্দু বিকাশ রায়ের ছেলে পিয়াস।

পিয়াস পড়তো গোপালগঞ্জের শেখ সাবেরা খাতুন মেডিকেল কলেজে। তার শিক্ষক শিক্ষার্থীরা আজ বাকরুদ্ধ।

নিহত হতভাগ্যের তালিকায় রয়েছে খুলনার তরুন ঠিকাদার আলিফুজ্জামান।

আর গাজীপুরের একই পরিবারের পাঁচজন ছিলেন বিধস্ত ওই ফ্লাইটে। উপজেলার নগরহাওলা গ্রামের মৃত শরাফত আলীর ছেলে ফারুক আহমেদ, তাঁর স্ত্রী এ্যালমুন নাহার এ্যান্নি, তাদের তিন বছর বয়সী এক মাত্র সন্তান প্রেয়সী, নগরহাওলা গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে মেহেদী হাসান অমিও এবং তাঁর স্ত্রী সাঈদা কামরুন্নাহার স্বর্ণা আক্তার ।

ফারুক পেশায় একজন ফটোগ্রাফার, মেহেদী হাসান একটি গার্মেন্টস এ চাকুরী ও ব্যবসা করেন।যেখানে দু’জন জীবিত থাকার তথ্য পাওয়া গেলেও বাকিদের চিন্তায় উদ্বেগ-উৎকন্ঠা নিয়ে অপেক্ষার প্রহর গুনছেন স্বজনরা।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন