দেশের একমাত্র চট্টগ্রাম-১৬ আসনে নেই কোনো জোটগত প্রার্থী

0

আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয়পার্টি ও জামায়াতে ইসলামী। চার বড় দলের আলাদা প্রার্থী ভোটের মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন চট্টগ্রাম-১৬ বাঁশখালী আসনে। একাদশ সংসদ নির্বাচনে সবগুলো রাজনৈতিক দল সারাদেশে জোটগতভাবে ভোটযুদ্ধে অংশ নিলেও এই আসনটির চিত্র ভিন্ন। চার দলেরই জনসমর্থন এখানে সমানে সমান। আর তাই আসনটি নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছতে পারেনি কোন জোটই। জয়ের ব্যাপারে নিজেদের প্রত্যাশার কথা জানালেও প্রতিপক্ষকে দুর্বল ভাবছেন না কোনো প্রার্থীই।

চট্টগ্রামের সবচেয়ে দুর্গম আর প্রত্যন্ত সংসদীয় আসনটির নাম বাঁশখালী। সাগরপাড়ের এই উপজেলার প্রতিটি মেঠোপথে এখন প্রর্থীদের নির্বাচনী প্রচারণায় সরগরম। প্রতিটি গ্রাম্য বাজারেও লেগেছে ভোটের হাওয়া। আওয়ামী লীগ, বিএনপি ছাড়াও দুই জোটের সবচেয়ে বড় শরিক জাতীয় পার্টি ও জামায়াতে ইসলামীও সতন্ত্র হিসেবে আলাদাভাবে প্রার্থী দিয়েছে এখানে। তাই চতুর্মুখী প্রচারণায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে গোটা এলাকায়।

এই আসন থেকে পরপর চারবার নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাফরুল ইসলাম। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে অংশ না নেয়ায় আসনটি হাতছাড়া হয় বিএনপির। এবার আবারো ধানের শীষ নিয়ে ভোটযুদ্ধে নেমে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদি জাফরুল। আর আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি মোস্তাফিজুর রহমানের দাবি গেল ৫ বছরে ব্যাপক উন্নয়ন করায় জনগণের রায় তার পক্ষেই থাকবে।

কৃষি জমিতে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিরোধীতা, সড়ক ও সেতুতে ট্যাক্স-ফ্রি করার কর্মসূচিসহ বেশ কিছু গণআন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে নিজের ও দলের অবস্থান শক্ত করেছেন জাতীয়পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী। এছাড়া জামায়াত নেতা জহিরুল ইসলাম নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ ছেড়ে আপেল প্রতিক নিয়ে ভোটযুদ্ধে নেমেছেন।

চট্টগ্রামের অন্যান্য বিভিন্ন অভিযোগ থাকলেও এখানে তেমনটি নেই। তাই শান্তিপুর্ণ পরিবেশেই নির্বাচনী বৈতরণী পার করার আশা ভোটারদের। ফুটেজ-৪

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন