দেশের অর্থনৈতিক কাঠামো দুর্বল ব্যবস্থাপনার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে

0

দেশের অর্থনৈতিক কাঠামো দুর্বল ব্যবস্থাপনার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এরজন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যর্থতাই দায়ী বলে মনে করে, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ- সিপিডি। বাংলাদেশের উন্নয়ন নিয়ে গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে, প্রতিষ্ঠানটির সম্মানিত ফেলো- ডক্টর দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য একথা বলেন। সিপিডি’র আরেক ফেলো- ডক্টর মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ব্যাংকিং খাতে স্বজনপ্রীতির কারণে– দেশের সার্বিক অর্থনীতির উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। তাই আসছে অর্থবছরে রক্ষনশীল অর্থনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালনার পরামর্শ সিপিডির।

দেশের অর্থনীতির বিভিন্ন সূচকের পর্যালোচনা ও গবেষণা প্রতিবেদন তুলে ধরতেই– এই আলোচনা সভা করে সিপিডি। আমদানি-রপ্তানী, মুদ্রাস্ফীতি, খাদ্যে মূল্যস্ফীতি, বৈদেশিক ঋণ, ব্যাংকিং খাতের বর্তমান অবস্থা নিয়ে– প্রথমেই প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন, সিপিডির রিসার্চ ফেলো তৌফিকুল ইসলাম খান।

সিপিডির সম্মানীত ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের মতে, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বিগত বছরগুলোতে সন্তোষজনক হলেও, এর আড়ালে কোনো গুনগত পরিবর্তন আসেনি। এর প্রধান কারণ প্রবৃদ্ধি বাড়লেও, কর্মসংস্থান ও দারিদ্র্য বিমোচন না হওয়া এবং সম্পদের বৈষম্যের। আরেক অর্থনীতিবিদ বলেন, বাংলাদেশে আমদানি নির্ভরতা, ব্যক্তিখাতে বিনিয়োগের অভাব এবং উৎপাদনশীলতা কম হওয়ায়– অর্থনৈতিক কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়েছে। নির্বাচনের বছর হওয়ায়, আগামি বছরের বাজেট জনতুষ্টির হবে বলেও তার ধারণা।

ব্যাংকিং খাতে ঋণ খেলাপি, রাজনৈতিক বিবেচনায় নতুন ব্যাংক দেয়ার বিষয়টি অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা আরেক আলোচকের। তাই অর্থনীতির উন্নয়ন অগ্রগতির লক্ষ্যে, আগামী বাজেটে রক্ষণশীল ও সংযত নীতি অনুসরণের পরামর্শ আলোচকদের। প্রয়োজনে অর্থনীতির নেতৃত্বের বিষয়ে দুরদৃষ্টি দেয়ার পরামর্শ দেন তারা।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন