দু’শ ৩২ জন মিলারকে ৫ লাখ টন লবন আমদানির অনুমতি

0

উর্ধ্বমুখী বাজার নিয়ন্ত্রণে, দু’শ ৩২ জন মিলারকে ৫ লাখ টন লবন আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, বেশিরভাগ মিলাররাই লবন অমদানি না করে– ডিও বিক্রি করে দিয়েছে বড় বড় কোম্পানির কাছে। এতে লবণের বাজারে সিন্ডিকেটের কারসাজির আশংকা করছেন ব্যবসায়ীরা।

দেশের সবচে’ বড় লবন মিল এলাকা- চট্টগ্রামের পটিয়ার ইন্দ্রপোল। একই জায়গায় রয়েছে প্রায় অর্ধশতাধিক মিল। কয়েকটি মিলে আমদানী করা অপরিশোধিত লবন পরিশোধনে দিনরাত ব্যস্ত কিছু শ্রমিক। আবার খাতা-কলমে লবন আমদানী করলেও অনেক কারখানাই বন্ধ, গুদামেও ঝুলছে তালা। এমন মিলের সংখ্যা অন্তত ২০টি। অভিযোগ রয়েছে বড় বড় কোম্পানির কাছে ডিও বিক্রি করে দিয়েছে তারা। এতে আবারো লবনে সিন্ডিকেটের কারসাজির আশংকা করছেন ব্যবসায়ীরা।

বিসিকের হিসেবে বাংলাদেশে লবণের চাহিদা রয়েছে ১৬ লাখ টন। বিপরীতে দেশে উৎপাদিত লবণের পরিমাণ ১২ লাখ টনের মতো। তাই ঘাটতি মেটাতে এ বছর মিলারদের মাধ্যমে ৫ লাখ টন অপরিশোধিত লবন আমদানীর সুযোগ দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। কিন্তু হাত ঘুরে তা আবার চলে যাচ্ছে সিন্ডিকেটের কবলে।

তবে ডিও বিক্রির অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত মিলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছে ইন্দ্রপোল লবন মিল মালিক সমিতি কোরবানীর আগে হঠাৎ বেড়ে যাওয়া লবনের বাজার নিয়ন্ত্রণে ছোট-বড় সবগুলো মিলকে সমানভাবে দুই হাজার ১৫৫ টন করে লবন আমদানীর অনুমতিপত্র দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। কিন্তু বড় কোম্পানিগুলো চাহিদা অনেক বেশী।

শেয়ার করুন।