দর্শকের মনের মণিকোঠায় যুগের পর যুগ ঠাঁই পান খুব কম মানুষ

0

চলচ্চিত্র অঙ্গনে তারকা খ্যাতি পন অনেকেই; কিন্তু দর্শকের মনের মণিকোঠায় যুগের পর যুগ ঠাঁই পান খুব কম মানুষ। সালমানশাহ তাদেরই একজন। ১৯৭১ সালের ঊনিশে সেপটেম্ব জন্ম হয়েছিল ঢাকাই ছবির সাফল্যের বরপুত্রের। যদিও কালের নির্মম পরিহাসে দীর্ঘস্থায়ী হয়নি এই ‘স্টাইল আইকনের’ জীবন।তার অনুপস্থিতি আর অকাল প্রস্থান আজও পোড়ায় অগুনতি মানুষের মন।

অভিনয় স্টাইল, পর্দায় সপ্রতিভ উপস্থিতি আর নায়কোচিত ইমেজের কারণে আজও লাখো চলচ্চিত্রপ্রেমীর স্বপ্নের নায়ক সালমান শাহ।  ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৬। মাত্র চার বছরে ২৭টি ছবি। তবু সালমান শাহ মানে দর্শকের ভালোবাসা আর চলচ্চিত্রের জন্য আশীর্বাদ। সোহানুর রহমান সোহানের ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ ছবির মাধ্যমে ইমন নামের সেই ছেলেটি হয়ে যান সালমান শাহ। শুরুতেই বিশাল সাফল্য দিয়ে সালমান প্রাণসঞ্চার করেছিলেন মৃতপ্রায় বাংলাদেশি চলচ্চিত্রে।

তার প্রায় প্রতিটি ছবি ছিল ব্যবসা সফল। প্রযোজক-পরিচালকদের সেই নির্ভরতার ক্ষেত্র কেন অকালে ধসে গেল, তার কারণ আজও অস্পষ্ট।
সালমান যখন জনপ্রিয়তায় দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে যাচ্ছিলেন, তখনই তাঁকে পরপারে পাড়ি দিতে হয়। বাংলাদেশের সিনেমার উন্নতি হলে কাদের চলচ্চিত্র ব্যবসা বিপন্ন হয়, আর বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের মন্দাকালে ও তারকা সংকটের সুযোগে কাদেরইবা দখলদারির সুযোগ বাড়ে এই প্রশ্নগুলোর উত্তরের মাঝেই হয়ত নিহিত আছে সালমান শাহ হত্যা বা আত্মহত্যার রহস্য। যার মীমাংসা একদিন আদালতেই হবে বলে বিশ্বাস সালমানের পরিবার ও ভক্তবৃন্দের। প্রস্থানের টানা ২২ বছর পরেও টেলিভিশনের পর্দায় তার অভিনীত দেখতে হুমড়ি খেয়ে পড়েন দর্শকরা। আজও নতুন ছেলেরা সিনেমায় আসার স্বপ্ন দেখে সালমানের জন্য। এখানেই সালমান অনন্য, অপ্রতিদ্বন্দ্বী ও চিরস্মরণীয়।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন