দক্ষিণাঞ্চলের গলদা চিংড়ির বাজারে ধ্বস নেমেছে

0

বাগেরহাটসহ দক্ষিণাঞ্চলের বাজারে সাদা সোনা খ্যাত গলদা চিংড়ির বাজারে ধ্বস নেমেছে। চিংড়ির দাম কমে গেছে কেজিপ্রতি চার থেকে পাঁচশ টাকা। হঠাৎ করে বাজারে চিংড়ির দাম অস্বাভাবিক কমে যাওয়ায় চিংড়িচাষীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। গলদা চিংড়ির দাম না বাড়লে চাষীরা মূলধন হারানোরও আশংকা করছেন। তাই চিংড়ির নতুন বাজার সৃষ্টি করে গলদা চিংড়ি রপ্তানি বাড়াতে সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আহবান জানিয়েছেন চাষী ও ব্যবসায়ীরা।

বাগেরহাটের নয়টি উপজেলায় এ বছর ১৯ হাজার ৬৫৪ হেক্টর জমিতে প্রায় ৪২ হাজার ঘেরে গলদা চিংড়ির চাষ হয়েছে। ভাদ্র ও আশ্বিন মাস গলদা চিংড়ি ধরার সময়।এ সময়ে ঘের থেকে চিংড়ি মাছ তুলে বাজারে বিক্রি করা হয়। কিন্তু দক্ষিণাঞ্চলের বাজারে সাদা সোনাখ্যাত এই গলদা চিংড়ির বাজারে এখন ধ্বস নেমেছে।

গলদা চিংড়ির দাম হঠাৎ কেজিপ্রতি চার থেকে পাঁচশ টাকা কমে যাওয়ায় চিংড়ি চাষীরা মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। ঘেরের হারির খরচ, রেণু পোনা ও খাবার মিলিয়ে চিংড়ির উৎপাদন খরচ বেড়েছে অনেক। অথচ দাম অস্বাভাবিক কমে যাওয়ায় লাভতো দূরের কথা, বিনিয়োগের অর্থই উঠবে না বলে আশংকা চাষীদের।

মৎস্য বিভাগ জানায়, যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন আমদানিকারক দেশ অর্থনৈতিক মন্দার কারণে চিংড়ি কেনা ইদানীং কমিয়ে দিয়েছে। তাই চাহিদা কমে যাওয়ায় স্থানীয় বাজারে চিংড়ির দাম পড়ে গেছে। তবে শিগগিরই বাজার আগের অবস্থায় ফিরবে বলে আশা তাদের।

চিংড়ির দাম না বাড়লে এবার পুঁজি হারিয়ে পথে বসতে হবে বলে মনে করেন চিংড়ি চাষী ও ব্যবসায়ীরা।

শেয়ার করুন।