ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের ফাইনালে বাংলাদেশ

0

ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের ফাইনালে বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে টাইগাররা। ক্যারিবিয়দের দেয়া ২৪৮ রানের টার্গেটে ব্যাট করে ১৬ বল হাতে রেখে জয় পায় বাংলাদেশ।

ডাবলিনে টস জিতে ব্যাট করতে নামে ক্যারিবীয়রা। ৩৭ রানের উদ্বোধনী জুটি পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান সুনিল অ্যামব্রিস বিদায় নেন ২৩ রানে। ক্যারিবিয়ান ওপেনারকে শিকার করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মোর্তুজা।

দ্রুত ফিরেছেন ক্যারিবীয়দের পরের তিন ব্যাটসম্যানও। ড্যারেন ব্রাভো ৬, রোস্টন চেজ ১৯ এবং জোনাথান কার্টার আউট হন ৩ রানে।

তবে একপ্রান্ত আগলে রাখেন ওপেনার শেই হোপ। তাকে সঙ্গ দেন অধিনায়ক জ্যাসন হোল্ডার। এ জুটি’র শত রানে সম্মানজনক স্কোর পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। অর্ধশতক করেন দু’জনই। হোপ ৮৭ এবং হোল্ডার করেন ৬২ রান।

বল হাতে ম্যাচ সেরা মুস্তাফিজ ৪ এবং মাশরাফি নেন ৩ উইকেট। অভিষেক রাঙাতে পারনেনি আবু জায়েদ রাহি। ৯ ওভার বল করে উইকেটহীন ছিলেন তিনি।

ত্রিদেশীয় সিরিজের শিরোপা মঞ্চ তৈরীতে বাংলাদেশের চাই ২৪৮ রান। আত্মবিশ্বাসী শুরু টাইগার দুই ওপেনারের। উদ্বোধনী জুটি থেকে বাংলাদেশ পায় ৫৪ রান। ২১ রানে ফেরেন তামিম ইকবাল।

অধর্শতক করেন আরেক ওপেনার সৌম্য সরকার। সাকিব আল হাসানকে নিয়ে ৫২ রানের জুটি গড়েন তিনি। তবে হঠাৎই ছন্দপতন বাংলাদেশ শিবিরে। সাকিবের ব্যক্তিগত ২৯ রানে বিদায়ের পরই ৫৪ রানে ফিরেন সৌম্য। তামিমের পর সাকিব ও সৌম্যকেও শিকার করনে অ্যাশলে নার্স। কিছুটা চাপে পড়ে বাংলাদেশ।

ধাক্কা সামাল দেন মুশফিকুর রহিম এবং মোহাম্মদ মিথুন। দারুণ করেছে টাইগার এজুটি। ৪৩ রানে থামেন মিথুন। কিন্তু মাহমুদুল্লাহকে নিয়ে পরের কাজটি সারেন মুশফিক।

অধর্শতক করে মুশফিক দলীয় সর্বোচ্চ ৬৩ রানে আউট হন। মাহমুদুল্লাহর সংগ্রহ ৩০ রান। প্রত্যাশার জয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের শিরোপা মঞ্চে বাংলাদেশ।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন