ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে ওজন স্কেল বন্ধে বাণিজ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি আজও বাস্তবায়ন হয়নি

0

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে ওজন স্কেল বন্ধে বাণিজ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি আজও বাস্তবায়ন হয়নি। উল্টো দ্বিগুণ উৎসাহে মহাসড়কে পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে ১৩ টনের বাধ্যবাধকতা আরো কড়াকড়ি করেছে স্কেল অপারেটররা। এতে ক্ষোভ জানিয়ে অবিলম্বে মহাসড়কের অভিশাপ হিসেবে পরিচিত কথিত ওজন স্কেল বন্ধের দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ী নেতারা। আর মহাসড়কের স্থায়িত্ব বৃদ্ধির জন্য যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে সড়ক ও জনপথ বিভাগের ব্যাখ্যাকে খোড়া অজুহাত হিসেবে দেখছেন সড়ক বিশেষজ্ঞরা।

সীতাকুণ্ডের রড়দরগারহাট, দাউদকান্দি ও মেঘনার চারটি ওজন স্কেলই দেশের অর্থনীতির লাইফ লাইন হিসেবে পরিচিত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের অভিশাপ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে বেশ ক’বছর ধরেই। পর্যাপ্ত আলাদা লেইন না থাকা, স্কেল টেম্পারিং, শ্রমিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারসহ নানা অব্যবস্থাপনার কারণে মাঝে-মধ্যেই যানজটে নাকাল হন দেশের গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে চলাচলকারী যাত্রীরাও। তাই জনদুর্ভোগের এই ওজন স্কেল বন্ধের দাবি সবার। সম্প্রতি চট্টগ্রাম চেম্বারের একটি অনুষ্ঠানে এসে এনিয়ে বিষ্ময় প্রকাশ করেন বাণিজ্যমন্ত্রী, প্রতিশ্রুতি স্কেল বন্ধের।

বাণিজ্যমন্ত্রীর এই অশ্বাসের এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন হয়নি। এতে ক্ষোভ জানান এই ব্যবসায়ী নেতা। 

এই মহাসড়ক দিয়ে দৈনিক প্রায় ৩০ হাজারের বেশি পণ্যবাহী ভারী যানবাহন চলাচল করায় সড়কের স্থায়ীত্ব রক্ষায় যান চলাচল নিয়ন্ত্র করা হয়। স্কেলের পক্ষে সড়ক ও জনপথ বিভাগের এমন যুত্তি থাকলেও তা খোড়া অজুহাত হিসেবেই দেখছেন এই বিশেষজ্ঞ।

দেশের ৯২ ভাগ আমদানি- রপ্তানি বাণিজ্য পরিচালিত হয় চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে। আর ৫০ থেকে ৬০ ভাগ খাদ্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ করে খাতুনগঞ্জ। কিন্তু এ’দুইই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ওপর নির্ভরশীল। তাই পণ্যপরিবহণে ১৩ টনের বাধ্যবাধকতায় খরচ বাড়ছে ব্যবসায়ীদের। যার প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারেও। ফুটেজ-২

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন