ঢাকায় রাইড শেয়ারিং জনপ্রিয়তা পেলেও ভাড়া বেশি ও চালকদের দুর্ব্যবহারসহ নানান অভিযোগ

0

গণপরিবহনের ঝক্কি এড়াতে ঢাকায় রাইড শেয়ারিং জনপ্রিয়তা পেলেও ভাড়া বেশি ও চালকদের দুর্ব্যবহারসহ নানান অভিযোগ রয়েছে। সুযোগ পেলে চালকরা অ্যাপে না গিয়ে, চুক্তিতে চলাচল করছেন। তবে রাইড শেয়ারিং কোম্পানী বলছে, নিবন্ধিত চালকরা নিয়ম ভঙ্গ করলে, নিবন্ধন বাতিল করা হবে।

রাজধানীতে দিনদিনে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে রাইড শেয়ারিং। ব্যস্ত নগরীতে অফিসগামী কিংবা জরুরি প্রয়োজনে অল্প সময়ে একস্থান থেকে অন্যস্থানে যাতায়াদের ক্ষেত্রে রাইড শেয়ারিং সেবার জুড়ি নেই। তবে রাইড শেয়ারিং নিয়ে অসন্তুস্টির কথা শোনা যায়। ঢাকায় ২০১৫ সালে পাঠাও শুরু করে রাইড শেয়ারিং। ২০১৬ সালের শেষের দিকে আসে উবার। এরপর আরও কিছু রাইড শেয়ারিং কোম্পানি চালু হয়। এর ফলে কম খরচে, কম সময়ে গন্তব্যে পৌছানো সম্ভব হয়। নগরবাসীর কাছে আশির্বাদ হয়ে আসা রাইড শেয়ারিং ধীরে ধীরে গলার কাটা হয়ে উঠছে।

শাহজাহানপুরে, মগবাজার-মালিবাগ ফ্লাইওভারে অ্যাপস ভিত্তিক রাইড শেয়ারিং পাঠাওয়ের চালককে গলা কেটে হত্যার পর, মোটরসাইকেল ও মোবাইল ছিনিয়ে নেয় দুর্বৃত্তরা। এরপর থেকেই যাত্রী এবং চালকদের মধ্যে বেড়েছে ভীতি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ওইদিন চালক রাইড শেয়ারিং অ্যাপস ব্যবহার না করে, বেশি লাভের আশায় চুক্তিতে যাত্রী উঠায়, তাই ঘাতকদের ধরতে পারেনি পুলিশ। আর চালকদের দাবি, বাধ্য হয়েই তারা অফলাইন ট্রিপে যাচ্ছেন। অ্যাপ বন্ধ রেখে চুক্তিতে চলাচলের কথা সব রাইড শেয়ারিং কোম্পানিই টের পাচ্ছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, নিরাপত্তার জন্য যাত্রীদের সতর্ক এবং রাইডারদেরও অনুরোধ করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন