ঢাকার বৈঠকেও ঠিক হয়নি, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের দিনক্ষণ

0

ঢাকায় জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকেও ঠিক হয়নি, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরুর দিনক্ষণ। বিষয়টি জটিল মন্তব্য করে– সমাধানে সময় লাগবে বলে জানালেন, পররাষ্ট্র সচিব এ কে এম শহিদুল হক। অন্যদিকে, মিয়ানমারের পররাষ্ট্র সচিব জানান, দৃশ্যমান অগ্রগতির ব্যাপারে আলোচনা অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশ-মিয়ানমার যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের দ্বিতীয় বৈঠক শেষে, সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তারা এসব জানান।

রাখাইন রাজ্যের সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিমদের নাগরিক হিসেবে স্বীকার করে না মিয়ানমার সরকার। দেশটির সেনাবাহিনীর দমন-পীড়নের শিকার হয়ে প্রাণ বাঁচাতে চার দশক ধরে বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে কয়েক লাখ রোহিঙ্গা। সর্বশেষ ২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইন রাজ্যে একটি নিরাপত্তা চৌকিতে কথিত হামলার অভিযোগ তুলে সেনা অভিযানের নামে নৃশংসতা শুরু হলে এ সংখ্যা ১১ লাখ ছাড়িয়ে যায়।

২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর মিয়ানমারের রাজধানী নেপিদোতে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন বিষয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়। যেখানে সমস্যা সমাধানে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের কাজ করার কথা বলা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ঢাকায় দ্বিতীয় বৈঠকে বসে দুই দেশ।

পররাষ্ট্র সচিব জানান, দিনক্ষণ ঠিক না হলেও বিষয়টি বেশ জটিল, তাই দ্রুত সমাধানের কোন পথ নেই।

কবে শুরু হবে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া আর কেনইবা দেরী হচ্ছে, এমন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে দ্বিপাক্ষিয় চুক্তির কথা বলেন মিয়ানমারের পররাষ্ট্র সচিব।

সচিব একে এম শহীদুল হক জানান, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বিষয়ে দুই দেশের পক্ষ থেকে গ্রহণ করা পদক্ষেপগুলোর সিদ্ধান্ত আকারে জানা যাবে শিগগিরই।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন