ড্রাগন ফল চাষে সফলতার মুখ দেখতে শুরু করেছে চাষীরা

0

পঞ্চগড় ও সাভারে ড্রাগন ফল চাষে সফলতার মুখ দেখতে শুরু করেছে চাষীরা। পঞ্চগড়ের সমতল ভুমিতে চা ও কমলা চাষের পাশাপাশি অর্থকরি ফসল হিসেবে ড্রাগন চাষের নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়েছে। কৃষি বিভাগ বলছে, এই জেলার মাটি ড্রাগন চাষে উপযোগী। সম্ভাবনাময় বিদেশী এই ফল বানিজ্যিকভাবে চাষাবাদের দিকে ঝুকছেন সাভারের কৃষকরাও। এই ফল রপ্তানী করে বৈদেশিক মূদ্রা আয়ের সম্ভবনা দেখছেন তারা।

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার মাড়েয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম শামীম প্রথমে এখানে শুরু করেন ড্রাগন চাষ। দিনাজপুর হর্টিকালচার থেকে ৮০টি ড্রাগনের চারা এবং সরঞ্জামাদি নিয়ে ২০১৫ সালে চাষাবাদ শুরু করেন তিনি। এখন প্রতিটি গাছ থেকে ১৫ থেকে ২০ কেজি ড্রাগন পাওয়ার কথা জানালেনরেজাউল। প্রতি কেজি ড্রাগন বিক্রি হচ্ছে ৫শ’ থেকে ৭শ’ টাকায়।

নতুন ফসলের চাষাবাদ তাই ড্রাগন চাষে কৃষকদের নানা সহায়তাও দিচ্ছে কৃষি বিভাগ।

এদিকে, সাভারের বিরুলিয়ার সাইপাড়ায় ড্রাগন ফল চাষ করছেন জিল্লুর রহমান নামে এক কৃষক। শুরুতেই দু’একর জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে চাষ করে সফলতা পাওয়ায় এখন বানিজ্যিকভাবে শুরুর পরিকল্পনা তার।

যথাযথ সহায়তার মাধ্যমে সহজ চাষাবাদ এবং সুস্বাদু এই ফল ভবিষ্যতে রপ্তানী করা সম্ভব বলে মনে করছেন কৃষি কর্মকর্তা।

সহজ চাষাবাদ আর ওষুধীগুন সম্পন্ন এই ড্রাগন ফল বানিজ্যিকভাবে চাষাবাদে দিন দিন আগ্রহী হয়ে উঠছেন ব্যবসায়ীরা। প্রান্তিক পর্যায়ে এ ড্রাগন ফল চাষে একদিকে যেমন ‍সৃষ্টি হবে কর্মসংস্থানের সেই সাথে বিদেশের মাটিতে রপ্তানীর মাধ্যমে আয় হবে বৈদেশিক মূদ্রা।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন