ডাকসুর পর এবার চাকসু নির্বাচনের ক্ষণ গণনা শুরু হয়েছে

0

ডাকসুর পর এবার চাকসু নির্বাচনের ক্ষণ গণনা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার নীতিমালা প্রণয়ন কমিটি গঠনের মধ্যদিয়ে ২৯ বছর পর বন্ধ্যাত্ব কাটতে চলেছে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রাতিষ্ঠানিক ছাত্র রাজনীতি।বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বললেন ডাকসু নির্বাচনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানে উদ্যোগ নেবেন তারা। আর হঠাৎ করেই চাকসু নির্বাচনে প্রশাসনের উদ্যোগকে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে স্বাগত জানানো হলেও সন্দেহের চোখে দেখছে ছাত্রদলসহ অন্যান্য বাম সংগঠনগুলো।

আদালতের রায়ে দীর্ঘ ২৮ বছর পর ডাকসু নির্বাচনে আশা জাগে চাকসুতেও। প্রক্টরিয়াল কমিটির বৈঠকে চাকসু নির্বাচনের নীতিমালা প্রণয়নে কমিটি গঠনের পর সে সম্ভ্যাবনা আরো উজ্জ্বল হয়েছে। তবে কবে নাগাদ দীর্ঘ প্রতিক্ষিত এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে তার সঠিক দিনক্ষণ টিক না হলেও ঈদের ছুটি শেষে নির্বাচন করার টার্গেট নিয়েই এগোচ্ছে প্রশাসন। আর উপাচার্য বললেন ডাকসু নির্বাচনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করতে উদ্যোগ নেবেন তারা।

প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে দ্রুত নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রয়োজনে ডাকসুর নীতিমালা অনুসরণ করার পরামর্শ ছাত্রলীগের। তবে সহাবস্থানের দাবিতে বিপরীত মেরুতে ছাত্রদল। দীর্ঘদিন ধরে চাকসু নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন করে এলেও প্রশাসনের এই হঠাৎ সিদ্ধান্তকে সন্দেহের চোখে দেখছে বিভিন্ন বাম সংগঠনের নেতাকর্মী ও শিক্ষার্থীরা। সবশেষ ১৯৯০ সালে অনুষ্ঠিত হয় চাকসু নির্বাচন। এরপর নানান প্রতিবন্ধকতায় থমকে যায় শিক্ষার্থীদের অধিকার প্রতিষ্ঠার সর্বোচ্চ এই প্লাটফর্মটি। দীর্ঘ তিন দশক অব্যবহৃত থাকায় প্রায় পরিত্যাক্ত হয়ে গেছে চাকসু ভবনও। সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন প্রতিনিধিদের নিয়ে আবার জৌলুস আসবে এই ভবনে। এমনই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন