টানা ৯ দিনের সরকারি ছুটিতে পণ্য খালাসে ধীরগতি চট্টগ্রাম বন্দরে

0

টানা ৯ দিনের সরকারি ছুটিতে পণ্য খালাসে ধীরগতির ফলে কন্টেইনার ও জাহাজ জটের আশঙ্কা তৈরী হয়েছে চট্টগ্রাম বন্দরে। অবিলম্বে ডেলিভারি প্রক্রিয়ায় গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে না পারলে এই জট ভয়াবহ আকার ধারণ করবে বলে জানান বন্দর ব্যবহারকারিরা। আর বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে বন্দরের কার্যক্রম সচল থাকলেও আমদানীকারকের অনাগ্রহের কারনেই ইয়ার্ড গুলোতে কন্টইনারের স্তুপ জমেছে। যা স্বাভাবিক হতে আরো ৮/৯ দিন লাগবে।

ঈদের দিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত টানা ১২ ঘন্টা বন্ধ ছিলো চট্টগ্রাম বন্দরের সবধরণের অপারেশনাল কাজ। সন্ধ্যা থেকে বন্দর কর্তৃপক্ষ এলেও কাজে আসেনি সিএন্ডএফ, শিপিং এজেন্টসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। এর আগে গেলো সপ্তাহের শুরু থেকেই দেশের অধিকাংশ কলকারখানা ঈদ উপলক্ষে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পণ্য ডেলিভারি কমতে থাকে। ইয়ার্ডগুলোতে জমতে থাকে কন্টেইনারের স্তুপ। এর থেকে উত্তরণে বন্দর-কাস্টমসসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সক্ষমতার সবটুকু দিয়ে কাজে নামতে হবে এখনই। বললেন সিএন্ড এফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের এই নেতা।

বন্দর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর অসহযোগিতা, কারখানাগুলোর সীমাবদ্ধতাস সরকারিভাবে মহাসড়কে যান চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয় ঈদের আগে ও পড়ে। ফলে আমদানিকারকদের ইচ্ছা থাকলেও ঈদের মধ্যে পণ্য ডেলিভারি নেয়ার সুযোগ থাকে না। তাই ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কে পণ্যবাহি পরিবহণের জন্য আলাদা লেইন করার দাবি এই ব্যবসায়ী নেতার।

বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, দু’বছর আগেও অন্তত ৫০ হাজার কন্টেইনারের জট লেগে থাকলো সবসময়। কিন্তু পরিকল্পিতভাবে অপারেশনাল কাজ চালানোয় তা ২০ হাজারেরও নিচে নেমে আসে। কিন্তু ঈদের ছুটির কারণে তা আবার ৪০ হাজার ছাড়িয়েছে। জট নিরসনে প্রয়োজনে আইনের কঠোর প্রয়োগেরও হুশিয়ারি দেন চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব।

চট্টগ্রাম বন্দরের জেটিতে ১৮ টি আর বহি:নোঙ্গরে পণ্যবোঝায় ২২ টি জাহাজ পণ্য খালাসের অপেক্ষায় আছে। এছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে পণ্য নিয়ে বাংলাদেশের পথে আছে আরো বেশ কয়েকটি জাহাজ।

 

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন