জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করেই পরিচালিত হচ্ছে সেন্ট্রাল উইমেনস কলেজ

0

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করেই পরিচালিত হচ্ছে পুরোন ঢাকার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সেন্ট্রাল উইমেনস কলেজ। গুটিকয়েক শিক্ষকের স্বেচ্ছাচারিতায় জিম্মি অন্য শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। আর্থিক লেনদেন, দরপত্র ছাড়াই নির্মাণ ও ক্রয়, নিয়োগ ও পদোন্নতি বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে পরিচালনা পরিষদের বিরুদ্ধে।

টিকাটুলির সেন্ট্রাল উইমেন্স কলেজ ঢাকার দক্ষিণাংশে নারী শিক্ষায় দীর্ঘদিন ধরে সুনাম ধরে রেখেছে। সম্প্রতি পরিচালনা পর্ষদের অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতায় হুমকীর মুখে পড়েছে ৬৩ বছরের পুরোনো এ কলেজের সুনাম আর পাঠদান ।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৫ সালের প্রজ্ঞাপনের ভুল ব্যাখ্যা করে সেসময়ের পরিচালনা পর্ষদ অবৈধভাবে পদে থাকে আরো ১ বছর। পরবর্তীতে ২০১৬ সাল থেকে পুরোনো পরিচালনা পর্ষদের তিন শিক্ষক প্রতিনিধি সহযোগী অধ্যাপক লাইলা খালেদা, শাহীনুর রহমান ও আমিরুল ইসলাম এখনো শিক্ষক পতিনিধি পদে বহাল আছেন। অন্য কেউ এই পদে নির্বাচন করতে চাইলেও তাদের চাপে সফল হতে পারেন না বলে অভিযোগ রয়েছে।

শিক্ষকদের অভিযোগ, এ তিনজন শিক্ষক প্রতিনিধির যোগসাজসে নিয়োগ পান সদ্যবিদায়ী অধ্যক্ষ ইফতেখার আলী। তার বিরুদ্ধে অবকাঠামো নির্মাণে ১ কোটি ৪০ লাখ টাকার হিসেবে গরমিল, বেতনের দ্বিগুণ টাকা উত্তোলন, কলেজের টাকা বেসরকারি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে লগ্নি ও ব্যক্তিগত সুবিধা নেয়ার অভিযোগ প্রমানীত হওয়ায় বরখাস্ত হন। তার সহকারী হিসেবে সে সময়েই শিক্ষক ও অভিভাবকদের তোপের মুখে পড়েন এই তিনজন শিক্ষক প্রতিনিধি।

অভিভাবকদের অভিযোগ- পরিচালনা পর্ষদে অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচনের কথা থাকলেও তা হয় না। শিক্ষকদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও নির্যাতনে অভিযোগ তোলেন তারা। সঙ্গে রয়েছে নিয়োগ বাণিজ্য ও সিলেবাসে বাধ্যতামূলক করে শিক্ষার্থীদের বেআইনী নোটবই কিনতে বাধ্য করার অভিযোগ।

এসব বিষয়ে কথা বলতে গেলে কথা বলতে নারাজ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও শিক্ষক প্রতিনিধিরা।

পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে ফোনে তিনি জানান, সরাসরি অভিযোগ পেলে এসব বন্ধে ব্যবস্থা নেবেন।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দেয়া আইন ও নীতি অনুযায়ী পরিচালিত হয়ে আগের সুনাম ফিরে পাবে কলেজটি এই প্রত্যাশা শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন