চায়না নববর্ষের দীর্ঘ ছুটিশেষে আসন্ন রমজানকে কেন্দ্র করে হঠাৎ ব্যস্ততা বেড়েছে চট্টগ্রাম বন্দরের

0

চায়না নববর্ষের দীর্ঘ ছুটিশেষে আসন্ন রমজানকে কেন্দ্র করে হঠাৎ ব্যস্ততা বেড়েছে চট্টগ্রাম বন্দরের। এরই মধ্যে প্রচুর পণ্যবোঝাই জাহাজ এসেছে বহির্নোঙরে। পাইপ লাইনে আছে আরো বেশকিছু পণ্যবাহী জাহাজ। বন্দর ব্যবহারকারীরা বলছে, বর্তমানে যে পরিমাণ জাহাজ আছে তা হ্যাণ্ডেল করার সক্ষমতা বন্দরের থাকলেও, পাইপ লাইনে থাকা জাহাজগুলো চলে এলে হিমসিম খেতে হবে। তাই এখন থেকেই কার্যকর পরিকল্পনা না নিলে ঈদ আর বাজেটকে কেন্দ্র করে হোঁচট খেতে পারে দেশের আমদানী-রপ্তানী বাণিজ্য।

বাংলাদেশের আমদানী পণ্যের একক সর্ববৃহৎ দেশ– চীনের নববর্ষের ছুটির পরই ব্যস্ততা বেড়ে গেছে চট্টগ্রাম বন্দরের। রমজান আর ঈদের চাহিদা এবং আসন্ন বাজেটকে ঘিরে বেড়েছে আমদানি। বন্দরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ১২টি জেটিতে বর্তমানে কন্টেইনারবাহী জাহাজ আছে ১৭টি। এছাড়া বহির্নোঙরে খালাসের প্রক্রিয়ায় আছে ৪০টিরও বেশী এবং অপেক্ষমান আছে আরো অন্তত ৩৫টি জাহাজ। বিপুল সংখ্যক এসব জাহাজের পণ্য আনলোডে ভালোই হ্যান্ডেলিং করছে চট্টগ্রাম বন্দর।

সম্প্রতি ৬টি গ্যান্ট্রি ক্রেনসহ বেশকিছু আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযুক্ত হওয়ায় আগের চে’ বন্দরের সক্ষমতা বেড়েছে। কিন্তু দেশের আমদানী-রপ্তানী বাণিজ্য বাড়ছে আরো বেশী হারে। বর্তমানে পণ্যবাহী ৯২টি জাহাজ বাংলাদেশের জলসীমায় থাকলেও বিভিন্ন দেশ থেকে পণ্য নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরমুখী আছে আরো প্রায় সমপরিমাণ জাহাজ। তাই এখনই সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে না এগোলে ঈদের আগেই সংকটে পড়ার আশংকা ব্যবসায়ী নেতাদের।

আর মেট্রোপলিটন চেম্বার বলছে, গত মাস দুয়েক ধরে জট না থাকলেও এতে তৃপ্তির ঢেকুর তোলার অবকাশ নেই। কারণ ব্যবসায়ীদের সারাবছরের পুরো চাহিদা মেটানোর সক্ষমতায় নেই চট্টগ্রাম বন্দর।

দেশে আমদানী-রপ্তানী বাণিজ্যের প্রবৃদ্ধির কারণে ব্যাংক ও কাস্টমসহ বন্দর সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান ২৪ ঘন্টা খোলা রাখার নির্দেশ ছিল প্রধানমন্ত্রীর। কিন্তু বন্দর আর কাষ্টমস ছাড়া অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোর সেই নির্বিঘ্ন সেবা এখনো পাননি বন্দর ব্যবহারকারীরা।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন