Site icon SATV

চলনবিলসহ বিভিন্ন জলাশয়ে চলছে শামুক নিধন মহোৎসব

পাবনার চলনবিলসহ বিভিন্ন জলাশয়ে চলছে শামুক নিধনের মহোৎসব। প্রতিদিন শত শত বস্তা শামুক নিয়ে যাচ্ছে খুলনাসহ বিভিন্ন চিংড়ি ঘেরে। পরিবেশবিদরা বলছেন, পানি দূষণরোধে প্রাকৃতিক ছাকনি হিসেবে খ্যাত এই জলজ প্রাণী নির্বিচারে নিধনের ফলে হুমকিতে পড়ছে জীববৈচিত্র্য। কমতে শুরু করেছে কৃষি জমির উর্বরতা শক্তিও ।

পাবনার চলনবিলের অন্যতম বড় একটি জলাশয় খলিশাগাড়ি। বর্ষার পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে বিল পাড়ের মানুষ মেতে উঠেছে শামুক শিকারে। প্রতিদিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ছোট ছোট ডিঙি নৌকায় করে বিল, প্লাবিত ফসলি জমি থেকে শামুক সংগ্রহ করছে বিভিন্ন বয়সি মানুষ। স্থানীয় ব্যাপারির কাছে বস্তা প্রতি দু’শ থেকে সাড়ে তিন’শ টাকা দরে বিক্রি করে।

শুধু এই বিলেই নয়, জেলার চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া, ফরিদপুর ও সুজানগর উপজেলার বিভিন্ন বিল ও জলাশয়ে প্রতিদিন শামুক নিধন চলছে। বর্ষা মৌসুমের শুরু থেকে চার-পাঁচ মাস চলে এই শামুক নিধন। প্রতিদিন শতাধিক বস্তা শামুক স্থানীয় ব্যাপারিরা কিনে ট্রাকে করে খুলনাসহ বিভিন্ন চিংড়ির ঘেরে পাঠাচ্ছে।

এর ফলে জীববৈচিত্র হুমকির মুখে পড়ছে। ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে কৃষি জমির উর্বরতা। শামুক নিধন বন্ধ হওয়া উচিৎ বলে মনে করে কৃষি বিভাগ।

শামুক নিধনে সুনির্দিষ্ট শাস্তির কথা উল্লেখ নেই। তাই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া যাচ্ছে না বলে জানায়, বন বিভাগ।

স্থানীয়রা সচেতন না হলে, শামুক টিকে থাকবে না বলে শঙ্কা জানিয়েছে, সংশ্লিষ্টরা।

Exit mobile version