চলতি অর্থ বছরের প্রথম চার মাসেই ধ্বস নেমেছে রপ্তানী বাণিজ্যে

0

চলতি অর্থ বছরের প্রথম চার মাসেই ধ্বস নেমেছে রপ্তানী বাণিজ্যে। সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত তৈরী পোশাক শিল্প। ৮০ ভাগেরও বেশী বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী এই পণ্যটির প্রথম চার মাসে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অর্জনে ঘাটতি অন্তত ১১ শতাংশ। বিজিএমইএ বলছে, দ্রুত মুদ্রার অবমুল্যায়নসহ সরকারের নীতিগত সহায়তা না পেলে টিকে থাকা দায় হয়ে পড়বে। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার বলছে মুদ্রার অবমুল্যায়নের চেয়েও কাস্টমসের দুর্নীতি রোধ করা জরুরী।

তৈরী পোষাক শিল্পে বিশ্ব দাপিয়ে বেড়ানো বাংলাদেশের প্রভাব দিন দিন কমছে। চলতি অর্থ বছরে এসে তা প্রকট আকার ধারণ করেছে। এ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রানা প্লাজা ধ্বস বা তাজরিনের অগ্নিকাণ্ডের চেয়েও ভয়াবহ পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হচ্ছে সম্ভাবণাময় খাতটিকে।

অতীতে নানা সময় প্রতিবন্ধকতা আসলেও এবারের মতো অর্ডার বিপর্যয় হয়নি কখনো। কারণ ভারত, পাকিস্তান, ভিয়েতনাম এমনকি মিয়ানমারও বাংলাদেশের চেয়ে কম দামে পণ্য সরবরাহ করছে। এই বাস্তবতায় এই খাতকে টিকিয়ে রাখতে মুদ্রার অবমুল্যায়ন জরুরি বলে মনে করে বিজিএমইএ।

তবে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার বলছে, কাস্টমসসহ সেবা খাতের লাগামহীন দুর্নীতিও পোশাক শিল্পের অন্যতম অন্তরায়।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, মুদ্রার অবমুল্যায়ন করলে আমদানী পণ্যের মুল্যের ওপর সাময়িক প্রভাব পড়বে; কিন্তু এতে বৈদেশিক বিনিয়োগের সম্ভাবনা বাড়বে।

চলতি অর্থবছরে রপ্তানী খাতে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪৫ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলার। যার প্রথম তিন মাসে এসেছে মাত্র ৯ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার; এর অন্তত ৮৫ শতাংশই তৈরী পোষাক শিল্পের। যা গত অর্থবছর থেকে ১১ দশমিক ৫২ শতাংশ কম। অক্টোবরের পরিসংখ্যন আরো ভয়ঙ্কর। ২০১৮ সালের এই মাসের চেয়ে এবার রপ্তানী কমেছে ১৭ শতাংশের বেশি।

 

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন