চট্টগ্রাম বন্দর পরিচালনার দায়িত্ব বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে দেয়ার তোরজোড়

0

চট্টগ্রাম বন্দর পরিচালনার দায়িত্ব বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে দেয়ার তোরজোর শুরু করেছে একটি মহল। এতে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে বন্দর ব্যবহারকারীরা। চট্টগ্রাম চেম্বার বলছে অপারেটরের চেয়ে সক্ষমতা বাড়ানোর দিকেই মনযোগী হওয়া উচিত বন্দর কর্তৃপক্ষের। আর, সীমিত সামর্থের সর্বোচ্চ ব্যবহার করে অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়া আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের চাপ সামলানো হচ্ছে বলে জানায় তারা।

প্রতিবছর ২৩ লাখ কন্টেইনার ও ছ’কোটি টন খোলা পণ্য হ্যান্ডেলিং করার সক্ষমতা রয়েছে চট্টগ্রাম বন্দরের। কিন্ত গত অর্থবছরের হিসেবে ২৬ লাখ কন্টেইনার ও আট কোটি টনেরও বেশি খোলা পণ্য ওঠা-নামা করেছে এই বন্দরে। প্রতিবছর ১২ থেকে ১৪ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধি অর্জন করছে দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড হিসেবে পরিচিত এই প্রতিষ্ঠানটি। আর এই প্রবৃদ্ধিকেই পুঁজি করে চট্টগ্রাম বন্দরকে বিদেশিদের হাতে তুলে দেয়ার চেষ্টা চলছে বলে বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।

রোববার ঢাকায় এক সেমিনারে চট্টগ্রাম বন্দরের অপারেশনের দায়িত্ব বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেয়ার পরামর্শ দেন ড. ফরেস্ট কুকসন নামের এক বিদেশি বিশেষজ্ঞ।

বন্দরের বর্তমান অপারেটর সাইফ পাওয়ারটেক বলছে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বন্দরের সক্ষমতাও। তাই বিদেশি প্রতিষ্ঠান ঢোকাতে যে যুক্তি তুলে ধরা হচ্ছে তার ভিত্তি নেই।

শুধু পণ্য ওঠা-নামার ওপর বন্দরের সক্ষমতা নির্ভর করে না। তাই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসহ বন্দর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ বিজিএমইএ’র এই নেতার।

গত কয়েক মাসের মধ্যে বেশ কিছু আধুনিক যন্ত্রাংশ এসেছে বন্দরে। বে-টার্মিনাল নামে নতুন বন্দর তৈরির কাজও শুরু হয়েছে। এই অবস্থায় দেশিয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিরুৎসাহিত করতে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন