চট্টগ্রাম ওয়াসার অনাদায়ী বিলের হিসেবে প্রতিমাসে যুক্ত হচ্ছে অন্তত ২ কোটি টাকা

0

চট্টগ্রাম ওয়াসার অনাদায়ী বিলের হিসেবে প্রতিমাসে যুক্ত হচ্ছে অন্তত ২ কোটি টাকা। সেই সাথে সিস্টেম লস ও অবৈধ সংযোগ বন্ধ করতে না পারায় লোকসানের পরিমান বাড়ছে। এতে সেবাধর্মী এই প্রতিষ্ঠানটির যাবতীয় কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে দাবি কর্মকর্তাদের। আর নগর পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, প্রি-পেইড মিটারসহ ডিজিটালাইজেশন না হওয়ার পাশাপাশি সব এলাকায় পানি সরবরাহ নিশ্চিত না হওয়ায় বিল দিতে নিরুৎসাহিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। আর চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক বললেন, নিজেদের ম্যাজিস্ট্রেট না থাকায় বকেয়া বিল আদায়ে কঠোর হতে পারছে না প্রতিষ্ঠানটি।

চট্টগ্রাম ওয়াসা। বন্দর নগরীর ৬০ লাখ মানুষের বিশুদ্ধ পানির চাহিদা পুরণের একমাত্র প্রতিষ্ঠান। কিন্তু গ্রাহকের কাছ থেকে পানির বিল আদায়ে দারুণভাবে হোচট খাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। নতুন অর্থবছরের শুরুতে প্রতিষ্ঠানটির বাকির খাতায় রয়েছে প্রায় ৭৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রায় ২০ কোটি টাকায় সরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে পাওনা। গেল এক বছরের পরিসংখ্যান বলছে, প্রতিমাসে ৯ কোটিরও বেশি টাকার বিল দেয়া হলেও মাস শেষ ঘরে আসছে ৭ কোটি টাকারও কম।

দৈনিক প্রায় ৬০ কোটি লিটার পানির চাহিদার বিপরীতে ওয়াসার পানি সরবরাহ করার ক্ষমতা রয়েছে ৩০ থেকে ৩২ কোটি লিটার। তাই পানির অপচয় ঠেকানোর পাশাপাশি বকেয়া বিল আদায়ে পুরো অপারেশন কার্যক্রম আধুনিকায়ন করার তাগিদ দিলেন এই নগর পরিকল্পনাবিদ। চট্টগ্রাম ওয়াসার নেয়া বেশ কয়েকটি প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে সংকট নিরসন হবে, দাবি করে প্রতিষ্ঠানটির এমডি বললেন, আগামী মাস থেকে বকেয়া আদায়ে মনোযোগী হবে ওয়াসা। বর্তমানে এক হাজার লিটারের প্রতি ইউনিট পানি উৎপাদনে ওয়াসার খরচ হচ্ছে ১৬ টাকারও বেশী কিন্তু গ্রাহকের কাছ থেকে পাওয়া যাচ্ছে ৯ টাকারও কম। এরপর সিস্টেমলস ও অবৈধ সংযোগের জন্য অপচয় হচ্ছে অন্তত ২৫ শতাংশ পানি। তাই বকেয়া বিলের চাপ সামলাতে হিমসিম খাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন