চট্টগ্রামে ৩টি গুরুত্বপুর্ণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিত্ব পেয়ে আরো বেশি চাঙ্গা হয়ে উঠেছে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা

0

চট্টগ্রামে ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় ও ৩টি গুরুত্বপুর্ণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিত্ব পেয়ে আরো বেশি চাঙ্গা হয়ে উঠেছে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। ভেদাভেদ ভুলে যেভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নির্বাচনী বৈতরণী পার হয়েছে দলটি, আগামী দিনেও সেই ঐক্য ধরে রাখতে চান আওয়ামী লীগ নেতারা। নতুন দায়িত্ব পাওয়া মন্ত্রীরাও বললেন, স্ব-স্ব ক্ষেত্রে দেশ গড়তে অবদান রাখতে চান তারা। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, বড় বিজয় সম্ভাবনার পাশাপাশি বেশ কিছু চ্যালেঞ্জেরও মুখোমুখি করেছে আওয়ামী লীগকে।

অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে প্রথমবারের মতো চট্টগ্রামের সবকটি আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছে আওয়ামী লীগ। বিপুল এই বিজয়ের পুরস্কারও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। চট্টগ্রাম থেকে নির্বাচিত ড. হাছান মাহমুদকে তথ্যমন্ত্রী, সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদকে ভুমিমন্ত্রী ও ব্যারিস্টার মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলকে শিক্ষা উপমন্ত্রীর দায়িত্ব দিয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীকে আস্থার প্রতিদান দিতে চান নতুন মন্ত্রীরাও। এদিকে, জনগণের সঙ্গে সরকারের সেতুবন্ধন তৈরী করতে দলের দায়িত্বপ্রাপ্তদের বড় একটি অংশকে সরকারের অংশীদারিত্বের বাইরে রাখা হয়েছে বলে মনে করেন এই আওয়ামী লীগ নেতা। আর নির্বাচনের মতোই ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে এগিয়ে নিতে সরকারকে সহযোগীতা করার প্রত্যয় জানান চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র।

রাজনীতি বিশ্লেষকদের মতে, এতো বড় বিজয়ের পর দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণ বা জনগণের প্রত্যাশা পুরণে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ আছে এই সরকারের।  ২০০৮ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রামের ১৬টি সংশোদীয় আসনের বড় একটি অংশই ছিল বিএনপির দখলে। কিন্তু গেল ১০ বছরের উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় একাদশ সংসদের সবকটি আসনেই মহাজোটের প্রার্থীদের জয়ী করে সংসদে পাঠায় চট্টগ্রামের মানুষ। এরমধ্যে ৩ জন স্থান করে নিয়েছে মন্ত্রিসভায়ও।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন