চট্টগ্রামকে ঘিরে বিভিন্ন মেগা প্রকল্পের বাস্তবায়ন কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে

0

রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নে বন্দর নগরী চট্টগ্রামকে ঘিরে বিভিন্ন মেগা প্রকল্পের বাস্তবায়ন কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। সব ঠিক থাকলে ২০২৪ সালের মধ্যে কার্যক্রম শুরু করতে পারবে এসব প্রকল্প। কিন্তু বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের পর কতটুকু সুফল মিলবে তা নিয়ে সংশয় রয়েছে ব্যবহারকারীদের। কারণ রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের সঙ্গে নির্বিঘ্ন যোগাযোগ ব্যবস্থার নিশ্চয়তা না পেলে কোন কাজেই আসবে না সম্ভাবনাময় এই প্রকল্পগুলো। এজন্য ঢাকা-চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের পাশাপাশি রেল ও নৌপথকে আরো কার্যকর করে তোলার পদক্ষেপ নিতে হবে।

বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান ও বিদেশী বিনিয়োগকারীদের পছন্দের শীর্ষে এখন মীরসরাই ইকোনোমিক জোন। এরইমধ্যে দেশের সবচে বড় এই অর্থনৈতিক অঞ্চলের অধিকাংশ প্লট বরাদ্দ হয়ে গেছে। অনেকেই তাদের স্থাপনা তৈরীর কাজ শুরু করেছে। চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে বে টার্মিনাল নির্মানে দীর্ঘদিনের দাবি ছিলো ব্যবসায়ীদের। জমি অধিগ্রহনের জটিলতা নিরসনের পর কাজও শুরু হয়েছে। ধারনা করা হচ্ছে বড় এই দুই প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে ২০২৪ সালের মধ্যে। দেশের উর্ধমুখী আমদানী-রপ্তানী বাণিজ্যের চাহিদা মেটাতে এখনই হিমসিম খাচ্ছে চারলেনে উন্নিত হওয়া ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক। রেলপথ ও নৌপথের সক্ষমতাও বাড়েনি তেমন। এই বাস্তবতায় বড় প্রকল্পগুলো অপারেশনে এলে যোগাযোগ ব্যবস্থা থমকে দাঁড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে ।

তাই বড় প্রকল্পগুলোর সুফল পেতে হলে যে কোন মুল্যে নৌপথ, রেলপথ ও সড়কপথ- এই তিন মাধ্যমেই রাজধানীর সঙ্গে বন্দরনগরীর নির্বিঘ্ন যোগাযোগ নিশ্চিত করতে হবে বলে মনে করে চট্টগ্রাম চেম্বার। ২০০০ সালের পর থেকেই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক চার লেনে উন্নিত করার কথা শুরু হলেও তা বাস্তব রূপ নিয়েছে ২০১৬ সালে। আর ২০১১ সালে দোহাজারী-ঘুনধুম রেলপথ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হলেও কাজ শুরু হয়েছে গেল বছর। এই বাস্তবতায় ঢাকা-চট্টগ্রামের মধ্যে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে বা আট লেন প্রকল্পে জোরালো কোন আলোচনায় শুরু হয়নি এখনো।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন