গাইবান্ধা জেলার ৭ উপজেলার ৭৭টি মার্কেটই ঝুঁকিপূর্ণ

0

গাইবান্ধা জেলার ৭ উপজেলার ৭৭টি মার্কেটই ঝুঁকিপূর্ণ। নেই ফায়ার এক্সিট, পানির রিজার্ভ ট্যাংক, বালুভর্তি বালতি ও বিকল্প সিঁড়ি না থাকাসহ অগ্নিনির্বাপণের কোনো ব্যবস্থা নেই এসব মার্কেটে। একারণে আগুন লাগা মাত্রই নির্ভর করতে হয় দমকল বাহিনীর কর্মীদের উপর। এ নিয়ে মাথা ব্যাথা নেই মার্কেট মালিক কর্তৃপক্ষের। তবে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা বলছেন, মার্কেটগুলোতে অচিরেই অভিযান চালানো হবে।

সাত উপজেলা নিয়ে গাইবান্ধা জেলা। প্রতিটি উপজেলায় গড়ে উঠেছে ছোট-বড় মার্কেট ও সুপার মার্কেট। দুই বছর আগে সাত উপজেলার ৭৭টি মার্কেট ও সুপার মার্কেট পরিদর্শন করেছে গাইবান্ধা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর।
এরমধ্যে একটি মার্কেটেও নেই আগুন নির্বাপনের সন্তোষজনক কোন ব্যবস্থা। তাই তারা এই মার্কেটগুলোকে ঝুঁকিপূর্ণ ও অতি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ২০১৭ সালের পর গাইবান্ধা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর নতুন করে আর কোনো তালিকা তৈরি করেনি।

বেশিভাগ মার্কেটে নেই ফায়ার এক্সিট, পানির রিজার্ভ ট্যাংক, বালুভর্তি বালতি ও বিকল্প সিঁড়ি না থাকাসহ অগ্নিনির্বাপণের কোনো ব্যবস্থাই নেই। দোকানিরাও জানেন না, কিভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। সদর উপজেলায় ১২টি, গোবিন্দগঞ্জে ২৮টি, পলাশবাড়ীতে আটটি, সাঘাটায় ৭টি, সাদুল্লাপুরে ৪টি, ফুলছড়িতে ৩টি ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় দুটি ঝুকিপূর্ণ থাকলেও বারবার মালিকপক্ষকে জানিয়েও কোনো লাভ হয়নি। ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা বলছেন, অগ্নিঝুঁকিমুক্ত করতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেয়নি মালিকপক্ষ। এদিকে, জেলা শহর ও উপজেলার শহরের বিভিন্ন খোলা স্থানে অবাধে বিক্রি হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডার। যেকোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরো বেড়েছে। তাই ফায়ার সার্ভিসসহ প্রশাসনের সহযোগীতা কমনা করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন