গত পাঁচ বছরে দেশের অভ্যন্তরীণ এয়ারলাইন্সগুলোর যাত্রী বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ

0

গত পাঁচ বছরে দেশের অভ্যন্তরীণ এয়ারলাইন্সগুলোর যাত্রী বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। সম্প্রসারিত হচ্ছে দেশীয় এয়ারলাইন্স ব্যবসাও। এসব বিমান কোম্পানিগুলোকে প্রয়োজনীয় সরকারি সুযোগ-সুবিধা দেয়া গেলে– জাতীয় প্রবৃদ্ধিতে আরো বেশি অবদান রাখতে পারবে বলে দাবি, বেসরকারি বিমান সংস্থা মালিক কর্তৃপক্ষের।

১৯৯৫ সালে বেসরকারি খাতে বিমান চলাচল শুরু হলেও, এর যাত্রা খুব সুখের ছিলো না। অভ্যন্তরীণ রুটে তখন যাত্রী ছিলো, মাত্র তিনলাখ। ন’বছরের মাথায়, জিএমজি যখন আন্তর্জাতিক রুটে যাত্রা করে, তখন অভ্যন্তরীণ রুটে যাত্রী সংখ্যা দাঁড়ায় ছ’লাখ। অথচ, গত পাঁচ বছরে অভ্যন্তরীণ রুটে বিমান যাত্রীর মোট সংখ্যা ৪৩ লাখ ১৬ হাজার ৪ শ ২৯ জন। যা দেশের এভিয়েশন খাতের জন্য খুবই ইতিবাচক।

কিন্তু উড়োজাহাজ আমদানীতে জটিলতা, রক্ষনাবেক্ষনের জন্য হ্যাঙ্গার না থাকা, দেশীয় এয়ারলাইন্সের জন্য জ্বালানি খরচ বেশি এবং যন্ত্রাংশ আমদানীতে ভ্যাট-ট্যাক্সের নামে হয়রানিতে অতিষ্ট দেশীয় কোম্পানীগুলো।

বিমানের জ্বালানি মূল্য বিশ্লেষনে দেখা যায়, বেশিরভাগ দেশীয় এয়ারলাইন্সের সেভেন ফর সেভেন কিংবা সেভেন সেভেন সেভেন উড়োজাহাজে গড় তেল ধারণক্ষমতা প্রায় ৪০ হাজার গ্যালন। অথচ এখানে যদি জ্বালানির দাম এক ডলার করেও বেশি হয়, তাহলে প্রতিটি ফ্লাইটে ওই কোম্পানীকে বাড়তি খরচ গুণতে হয় প্রায় ৩২ লাখ টাকা। এরপরে লাভ! তাহলে যাত্রী সেবা আসবে কতখানি? দেশীয় এয়ারলাইন্স কোম্পানীগুলোর স্বার্থে এসব সংকট কাটানো এখন জরুরি।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন