কুড়িগ্রামে হাঁসের খামার করে স্বাবলম্বী হয়ে উঠছেন যুবকরা

0

কুড়িগ্রামে হাঁসের খামার করে স্বাবলম্বী হয়ে উঠছেন যুবকরা। নদ-নদী বেষ্টিত এ জেলায় খাল-বিলসহ উন্মুক্ত জলাশয় বেশি থাকায় স্বল্প পুঁজিতেই খুব সহজে হাঁসের খামার গড়ে তুলছেন বেকার যুবকরা। আর খামার গড়ার তিন থেকে চার মাসের মধ্যেই লাভের মুখ দেখছেন তারা।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পাঁচগাছি ইউনিয়নের পানাতি পাড়া গ্রামের ছকিমুদ্দিন। দরিদ্র পরিবারের সন্তান হওয়ায় লেখাপড়া হয়নি তার। পরিবারের লোকজন ও প্রতিবেশিরা দিন মজুরি করার জন্য বললেও সেদিকে না গিয়ে ২৫ বছর আগে প্রাথমিকভাবে ৪০টি হাঁস কিনে খামার শুরু করে। বর্তমানে তার খামারে রয়েছে ছোট-বড় মিলে ১ হাজার দুইশত হাঁস।

এক দিনের খাকি ক্যাম্বেল জাতের হাঁসের প্রতিটি বাচ্চা ২০ থেকে ২৫ টাকায় কিনে এনে তিন থেকে চার মাস পর কিছু বিক্রি করেন। আর কিছু রেখে দেন ডিমের জন্য। খরচ বাদ দিয়ে এখন তার বাৎসরিক আয় চার থেকে পাঁচ লাখ টাকা। বিয়ের পর স্বামীর হাঁস পালন দেখে ছকিমুদ্দিনকে হাঁসের খামারে সহায়তা করে আসছেন তার স্ত্রীও।

ছকিমুদ্দিনের এই হাঁস পালন দেখে উদ্বুদ্ধ এলাকার বেকার যুবকরাও। এদিকে, কেউ নতুন করে খামার করতে চাইলে সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন জেলা প্রাণি-সম্পদ কর্মকর্তা।

দেশের সবচেয়ে দরিদ্রতম এ জেলার বেকার যুবকদের হাঁস পালনে উৎসাহিত করতে সরকারীভাবে প্রয়োজনীয় ঋণ সুবিধাসহ অন্যান্য সহায়তা করা গেলে একদিকে যেমন বেকারত্ব ঘুচবে, অন্যদিকে তেমনি কমে আসবে দারিদ্রতা। 

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন