কুড়িগ্রামে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা ক্রমাগতভাবে বেড়েই চলেছে

0

দেশে প্রবৃদ্ধি ও মাথাপিছু আয় বাড়লেও কুড়িগ্রামে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা ক্রমাগতভাবে বেড়েই চলেছে। এ জেলায় বর্তমানে দরিদ্র মানুষের হার শতকরা ৭১ জন। বিশেষ করে চরাঞ্চলের অবস্থা আরো করুণ। এ অবস্থায় জেলার সার্বিক অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে আসন্ন বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ না দিলে দরিদ্র মানুষরা দরিদ্রই থেকে যাবে।

ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, তিস্তাসহ ১৬টি নদ-নদী বেষ্টিত কুড়িগ্রাম জেলার মোট জনসংখ্যা ১৮ লাখের বেশি। প্রতি বছর নদী ভাঙনে ঘর-বাড়ী আর ফসলী জমি হারিয়ে নিঃস্ব হয় ৫ হাজার পরিবার। এভাবেই দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বাড়তে বাড়তে দাঁড়িয়েছে প্রতি শতকে ৭১ জন। স্বাধীনতার ৪৭ বছর পার হলেও এখানে গড়ে উঠেনি কোন ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান। এছাড়া যোগাযোগ, স্বাস্থ্য আর শিক্ষায় পিছিয়ে আছে জেলার ৪ শতাধিক চরের প্রায় ৫ লক্ষাধিক মানুষ।

দেশের বাজেট সম্পর্কে তেমন ধারনা না থাকলেও নদ-নদীর ভাঙন রোধসহ রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন চায় চরের মানুষজন। নদী ভাঙন রোধসহ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন হলে উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য পাবেন বলেও জানান তারা।

দীর্ঘদিন চরাঞ্চল নিয়ে কাজ করা বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থার পরিচালক মনে করেন দারিদ্রতার হার কমিয়ে আনতে অবশ্যই নদ-নদীর ভাঙনরোধসহ চরাঞ্চলের জন্য বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ রাখা উচিৎ।

দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নিত করতে হলে জেলা ভিত্তিক গতানুগতিক বাজেটের বাইরে বিশেষ বরাদ্দ দিয়ে পিছিয়ে পড়া এই জেলাকে এগিয়ে নেয়ার কথা জানান কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক।

স্থায়ীভাবে নদ-নদীর ভাঙন রোধসহ পরিকল্পিতভাবে চরাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করাসহ জেলায় কর্মমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে দেশের সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া দরিদ্র জনগোষ্ঠির জন্য আগামী বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ রাখার দাবি জানান এ জেলার মানুষ।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন