কাশ্মীরে সন্ত্রাসী হামলার হুমকির কারণে সব পর্যটক ও তীর্থযাত্রীকে সরে যেতে নির্দেশ

0

ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে সন্ত্রাসী হামলার হুমকির কারণে সব পর্যটক ও তীর্থযাত্রীকে সরে যেতে নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এমন অবস্থায় খালি হতে শুরু করেছে ভূস্বর্গ কাশ্মীর। প্রশাসন বলছে, কাশ্মীরের শান্তি নষ্টে পাকিস্তান যে চক্রান্ত করছে তার দাঁতভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে। এরই মধ্যে সেখানে মোতায়েন করা হয়েছে সামরিক ও অসামরিক অতিরিক্ত ৫০ হাজার সদস্যকে।

কাশ্মীর উপত্যকায় হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অমরনাথ যাত্রায় সন্ত্রাসী হামলা হতে পারে, এমন গোয়েন্দা তথ্যের কারণে নড়ে চড়ে বসেছে স্থানীয় প্রশাসন। ভারতের নিরাপত্তা বাহিনী বলছে, সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হামলার যে তথ্য তাদের কাছে আছে তার পেছনে রয়েছে পাকিস্তান। কাশ্মীর উপত্যকাকে অশান্ত করার যে পরিকল্পনা পাকিস্তান করেছে তার প্রমাণও আছে বলে দাবি করছেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর কমান্ডার জেনারেল ধিলন।

জেনারেল কমান্ডিং অফিসার, ইন্ডিয়ান আর্মি বলছেন, “পাকিস্তান এবং পাকিস্তানের সেনাবাহিনী কাশ্মীর উপত্যকার শান্তি নষ্টের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। কিন্তু আমি আশ্বস্ত করতে চাই যে, আমাদের বাহিনী এখানে আছে এবং এমন চক্রান্ত কোনোভাবেই আমরা বাস্তবায়ন করতে দেব না। কেউ এখানকার শান্তি নষ্ট করতে পারবে না।”

অমরনাথ যাত্রা তো বাতিল হয়েছেই, তীর্থ যাত্রী ও পর্যটকদেরও দ্রুত কাশ্মীর ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। এমন অবস্থায় বিপাকে সেখানে আসা পর্যটক ও তীর্থযাত্রীরা। এদিকে, কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তড়িঘড়ি অঞ্চল ছাড়তে গিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন সমস্যা। এক সাথে সবাই ভিড় করায় মিলছে না টিকেট। একে কঠোর নিরাপত্তার জন্য তীর্থস্থান দেখতে না পারা অন্যদিকে বাড়ি ফিরতে ব্যর্থ হওয়ায় বিষন্ন ও বিভ্রান্ত মানুষেরা বলছেন, “সবাই এখানে গুহামন্দির দেখার ইচ্ছা নিয়ে আসে। যদি কোনো রকম হুমকির কারণে নিরাপত্তা বাহিনী আমাদের ফিরে যেতে বলে তবে কি করার আছে আমাদের?”

হুমকির প্রেক্ষিতে মর্ত্যের স্বর্গে অসামরিক বাহিনীর আরও ১০ হাজার সদস্যকে পাঠিয়েছে ভারত। সেখানে তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তায় থাকা ৪০ সেনার সঙ্গে এরা হুমকি মোকাবেলায় কাজ করবে। চলমান পরিস্থিতিতে এতো বিপুল পরিমাণ সেনা সদস্য যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায়, এমনকি পাকিস্তান সীমান্তে যুদ্ধে প্রস্তুত বলেও জানিয়ে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

 

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন