কাতারের সাথে সম্পর্ক ছিন্নের পেছনে আঞ্চলিক ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে

0

কাতারের সাথে ছ’টি দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্নের পেছনে, আঞ্চলিক ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে বলে মনে করেন, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের তেলের পর– একমাত্র কাতারই সর্ববৃহৎ গ্যাস ক্ষেত্রের অধিকারী। এই গ্যাসের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবসা বাণিজ্যের লাগাম টানতেই কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্নের উদ্যোগ বলে মনে করেন, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক আমেনা মহসীন ও সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ূন কবির। এসএটিভিকে দেয়া একান্ত সাক্ষাতকারে, তাঁরা এসব বলেন।

মাত্র ২৭ লাখ মানুষের বসবাস, আরব উপদ্বীপের উত্তর-পূর্বে অবস্থিত এই ছোট রাষ্ট্রে। দেশটি ছোট হলেও, বিশ্বের সবচেয়ে বেশি তরল প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানিকারক দেশ, কাতার।

শুধু তাই নয়, প্রতিবেশি দেশগুলোর চেয়ে কাতারের অর্থনৈতিক উত্থান চোখে পড়ার মতো। ২০২২ সালে বিশ্বকাপ ফুটবলের আয়োজক দেশও কাতার; যেখানে নির্মাণ হচ্ছে চোখ ধাঁধানো বেশ কয়েকটি স্টেডিয়াম। উত্তোরোত্তর এগিয়ে যাওয়া দেশটি আল জাজিরা চ্যানেলের মাধ্যমেও তার অবস্থানকে বিশ্বে জানান দিয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এসবই কাল হয়েছে কাতারের।

বিশ্লেষকরা বলছেন, কাতারের ওপর এ ধরণের চাপ প্রয়োগের অন্যতম কারণ হলো কাতার তার অবস্থানের তুলনায় বেশি এগিয়ে যাওয়া। সন্ত্রাসে মদদ দেয়া ও আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা তৈরির অভিযোগে সৌদি আরব সম্পর্ক ছিন্ন করলেও– অন্য মুসলিম দেশগুলো সম্পর্ক জোড়া লাগাতে দ্রুত এগিয়ে আসবে বলেও মত দেন তারা।

শেয়ার করুন।