কমলাপুর রেলস্টেশনে অভিযান চালিয়েছে দুদক

0

রেলের অনলাইন টিকিট বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগে কমলাপুর রেলস্টেশনে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন- দুদক। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান সিএনএস এবং রেলের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজসে অনলাইনের টিকিট কালোবাজারির কারণে সাধারণ গ্রাহকরা টিকিট সংগ্রহ করতে পারছেন না এমন অভিযোগে অভিযান পরিচালনার পর এ ব্যাপারে রেল কর্মকর্তারা কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি বলে জানিয়েছেন, দুদক কর্মকর্তারা। এদিকে, অনলাইন টিকিট বিক্রিতে কালোবাজারির অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী।

ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে ক্লান্ত এই টিকিট প্রত্যাশী শেষ পর্যন্ত মেঝেতেই ঘুমিয়ে পড়েন। তার মতো এমন অসংখ্য টিকিট প্রত্যাশী মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে কিংবা শুয়ে বসে অপেক্ষা করছেন। উদ্দেশ্য, ঈদের আনন্দময় মহুর্তগুলো প্রিয়জনদের সঙ্গে ভাগাভাগি করা।
দীর্ঘ অপেক্ষার পর টিকিট নামক সোনার হরিণটি হাতে পেয়ে খুশিতে আত্মহারা অনেকেই। পুরুষের মতো নারীরাও রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কাকডাকা ভোরে ছুটে এসেছেন কমলাপুরে।

অনলাইনে এবার ৫০ শতাংশ টিকিট বিক্রি করা হবে। বাকি ৫০ শতাংশ টিকিট এবার কমলাপুর ছাড়াও বনানী, বিমানবন্দর, জয়দেবপুর রেলস্টেশন, ফুলবাড়িয়া নগর কাউন্টার এবং মিরপুরে পুলিশ কনভেনশন সেন্টার থেকে বিক্রি হবে। তবে অনলাইনে টিকিট সংগ্রহ নিয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা জানালেন অনেকে।

অনলাইনে টিকিট বিক্রির অনিয়ম ধরতে কমলাপুরে অভিযানে আসেন দুদক কর্মকর্তারা। এসময় অপারেশন বিভাগের ম্যানেজার টিকিট বিক্রির অনিয়ম নিয়ে কোন দুদক কর্মকর্তাদের প্রশ্নের সদুত্তর দিতে ব্যর্থ হন। অনলাইন টিকিট বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগকে ভিত্তিহীন দাবি করেছেন, রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। তার দাবি, সার্ভারের সমস্যার কারণে এমনটি হচ্ছে। তবে, সার্ভারের সমস্যা হলে টিকিটগুলো কিভাবে কারা কিনে নিচ্ছেন এমন প্রশ্নের জবাবে বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন তিনি। বুধবার ২৯ মে’র আগাম টিকিট বিক্রি করা হয়েছে। এভাবে আগামী ২৬ মে পর্যন্ত আগাম টিকিট বিক্রি চলবে।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন