কথিত ওজন স্কেল বসানোর ঘোষণায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন পরিবহণ ব্যবসায়ীরা

0

সারাদেশের ২২ টি মহাসড়কের ২৮ টি স্থানে নতুন করে কথিত ওজন স্কেল বসানোর ঘোষণায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন পরিবহণ ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবি, ওজন নিয়ন্ত্রনের নামে সড়কপথে চাঁদাবাজির বৈধতা দিতে চলেছে সরকার। আর ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন, এমন হঠকারি সিদ্ধান্তের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে। আর সড়ক ও জনপথ বিভাগের দাবি, সড়কের স্থায়ীত্ব বাড়াতে ওজন নিয়ন্ত্রণের বিকল্প নেই।

ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের বড় দরগারহাট, মেঘনা ও গোমতির তিনটি পয়েন্টে চারটি স্কেলে ঠিকাদারের মাধ্যমে ওজন নিয়ন্ত্রন করছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ।

এই স্কেলগুলোই এখন গলার কাটা হয়েছে সবার। স্কেল পয়েন্টে যানজটে নাকাল হওয়া ছাড়াও হয়রানীর শিকার হচ্ছে সাধারণ পণ্য পরিবহনগুলো। অথচ অবৈধভাবে চাঁদা দিয়ে ওভার লোডের গাড়িগুলো চলছে হরহামেশা। তাই নতুন করে স্কেল বসানোর ঘোষণায় আতংকিত পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা।

ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন, ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কটি সাধারণত আমদানী রপ্তানী বাণিজ্যেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। একটি কন্টেইনারে কতটুকু মালামাল বহন করা যাবে তা আন্তর্জাতিকভাবেই নির্ধারিত। কিন্তু সড়ক ও জনপথ বিভাগের বেধে দেয়া নিয়ম আন্তর্জাতিক নিয়মের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

সড়ক ও জনপথ বিভাগ বলছে, মহাসড়কে পণ্যবাহী পরিবহনের সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে। তাই সড়কের স্থায়ীত্ব বাড়াতে যানবাহনের ওজন নিয়ন্ত্রনের বিকল্প নেই।

নতুন করে ২৮ স্কেল বসানোর জন্য নির্ধারিত পয়েন্টগুলোর মধ্যে চট্টগ্রামের শাহ আমানত সেতু, সাতকানিয়া ও সীতাকুণ্ডের ৬ টি পয়েন্টকে চুড়ান্ত করা হয়েছে।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন