এফ আর টাওয়ারের নকশা অনুমোদন, নির্মাণ, তদারকি ও বন্ধকের অনুমতির সঙ্গে জড়িত ৬৭ কর্মকর্তা জড়িত

0

এফ আর টাওয়ারের নকশা অনুমোদন, নির্মাণ, তদারকি ও বন্ধকের অনুমতির সঙ্গে জড়িত রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট ও আবাসন প্রতিষ্ঠানসহ ৬৭ কর্মকর্তা জড়িত। রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান হুমায়ূন খাদেম, সাবেক প্রধান ইমারত পরিদর্শক মাহাবুব হোসেন সরকার, সাবেক উপসচিব রেজাউল করীমের নাম উঠে এসেছে। গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করীম জানিয়েছেন, জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রতিবেদনের বলা হয়, ১৯৯০ সালে এফ আর টাওয়ারের ১৫ তলা পর্যন্ত ভবনের অনুমোদন ছিলো। পরবর্তীতে ১৫ তলা থেকে ১৮ তলা পর্যন্ত নকশা অনুমোদনের প্রক্রিয়া যথাযথ ছিলো, কিন্তু অনুমোদকালীন বিদ্যমান বিধির আওতায় অনুমোদন দেয়া হয়নি। ২০০৫ সালে রুপায়ন হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের ২৩ তলা নকশাটির কোন অনুমোদন ছিল না।

অবৈধ ভবন নির্মাণ অনুমোদনে জড়িতরা
১. অবৈধ ভবন নির্মাণে ২০০৫ থেকে ২০০৮ সালে প্রধান ইমারত পরিদর্শক মাহাবুব হোসেন সরকারসহ ২২ জনকে দায়ী করা হয়েছে।
২. ২৩ তলা বিশিষ্ট ভবনের নকশা বৈধতা দিতে সাবেক অথরাইজ অফিসার সৈয়দ মকবুল হোসেন এবং কামরুজ্জামানসহ ২৪ জন জড়িত ছিলেন।
৩. তদারকি ও নজরদারিতে অবহেলার সঙ্গে জড়িত আরো ১৩ জন।

রাজউকের তৎকালীন চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে পরিদর্শক, রেজিস্ট্রার ব্যবস্থাপনা, ঋণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িতরা এবং যাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এই ঘটনায় সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে, তাদের সবার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান, গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী। রাজউক থেকে বহুতল ভবনের অনিয়ম চিহ্নিত করার জন্য ২৪টি পরিদর্শন টিম গঠন করা হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ক্রমান্বয়ে সব বিল্ডিং পরিদর্শন করা হবে। তিনি জানান, এখনো ৪৩১টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং ৪৪টি সরকারি ভবন নকশা অনুমোদনের কাগজ দেখাতে পারেনি।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন