এখনো চট্টগ্রাম থেকে একটি চামড়াও যায়নি ঢাকার কোন ট্যানারীতে

0

এখনো চট্টগ্রাম থেকে একটি চামড়াও যায়নি ঢাকার কোন ট্যানারীতে। তাই দুইশো কোটি টাকার লবনযুক্ত চামড়া নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি চট্টগ্রামের আড়তদারদের। এর ওপর তিন ধাপে বকেয়া টাকা পরিশোধের প্রক্রিয়া নিয়েও তৈরী হয়েছে নতুন সংকট। বন্ধ হয়ে যাওয়া ট্যানারীগুলোর বকেয়া ছাড়তে নারাজ তৃণমুলের ব্যবসায়ীরা। তাই পাওনা পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত সরকারের তদারকি চান তারা। আর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চামড়া বাজারের ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ না থাকায় এই ধরণের অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

কোরবানী ঈদের পর এখনো চট্টগ্রামের আড়তদারদের শতাধিক গুদাম লবনজাত চামড়ায় ভর্তি। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মধ্যস্ততায় গেলো সপ্তাহে চট্টগ্রাম থেকে চামড়া নেয়ার আশ্বাস দিলেও কথা রাখেননি ট্যানারী মালিকরা। এছাড়া তিন ধাপে ভাগ করে ফরিয়াদের বকেয়া টাকা পরিশোধের যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে তাতে বিপত্তি দেখা দিয়েছে বন্ধ হয়ে যাওয়া ট্যানারীগুলোর হিসেব নিয়ে। তাই সরকারের তদারকিতে বকেয়া আদায় করতে চান চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা।

ট্যানারী মালিকরা সবধরনের কেমিক্যাল শুল্কমুক্ত আমদানী করার সুযোগ পান। এছাড়া গেলো ৪ বছরে ৫ ভাগের ১ ভাগে নেমে এসেছে কাঁচা চামড়ার দামও। তাই দেশের বাজারে চামড়াজাত পণ্যের দাম কমিয়ে বহুমুখী ব্যবহারের দিকে নজর দিলে আন্তর্জাতিক বাজারের ওপর নির্ভরশীল হবে না চামড়াশিল্প। আর সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন মনে করে, ৮০’র দশকে রাষ্ট্রায়াত্ত্ব ট্যানারীগুলো পানির দরে বিক্রি করে দেয়ার মধ্য দিয়ে সরকার এই খাতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে। দেশে প্রতি বছর ২২ কোটি বর্গফুট চামড়া প্রক্রিয়াজাত করা হয় । এর অন্তত ১০ কোটি বর্গ ফুটেরই যোগান আসে কোরবানী থেকে।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন