এখনো কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প

0

এখনো কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প। একনেকে অনুমোদন পাওয়ার ৬ মাস পরও কাজ শুরু করতে পারেনি সিডিএ। তাই আগামী বর্ষায় জলাবদ্ধতা আরো তীব্র হবার আশংকা নগর পরিকল্পনাবিদদের। তবে সিডিএ চেয়ারম্যান বলছেন, যে-কোন মূল্যে আগামী বর্ষায় দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখাবেন তিনি। কিন্ত তার আশ্বাসে আস্থা রাখতে পারছেন না সিটি মেয়র। আর ওয়াসা বলছে, এক মাসের মধ্যে ৫৭টি খাল পরিস্কার না করলে জলাবদ্ধতা নিরসন অসম্ভব।

বন্দর নগরী চট্টগ্রামের প্রধান অভিশাপ– বর্ষার এই জলাবদ্ধতা। বর্ষাকালে আকাশে মেঘ দেখলেই আতঙ্কে থাকেন নগরবাসী। কারণ গেল বর্ষায়ও অন্তত ২০ বার বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে ডুবেছে বাণিজ্যিক রাজধানী। সীমাহীন এই দুর্ভোগ থেকে নগরবাসীকে মুক্তি দিতে এগিয়ে আসেন প্রধানমন্ত্রী। তার উদ্যোগেই গত আগষ্টে ৫ হাজার ৬ শো কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেয় একনেক। যা বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ- সিডিএ। কিন্তু ছ’মাস পেরিয়ে গেলেও কাজ শুরু করতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। সব ক’টি না হলেও অন্তত কয়েকটি খাল খনন করে হলেও কিছু এলাকায় দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখাতে চান সিডিএ চেয়ারম্যান।

প্রকল্প অনুমোদনের ছ’মাসেও কাজ শুরু করতে না পারায় সিডিএ চেয়ারম্যানের সমালোচনা করে মেয়র বললেন, এখন থেকে জলাবদ্ধতার কোন দায় নেবে না সিটি কর্পোরেশন। এদিকে, ওয়াসার এমডি বললেন, একসাথে ৫৭টি খাল সংস্কার করতে না পারলে জলাবদ্ধতা নিরসন অসম্ভব।

চট্টগ্রামের ৫৭টি খালকে ঘিরে জলাবদ্ধতা নিরসনের মাস্টারপ্ল্যান করে চট্টগ্রাম ওয়াসা। এর একাংশ নিয়ে ডিপিপি করে প্রথমে ৫ হাজার ৬শো কোটি টাকার প্রকল্প পাশ করায় সিডিএ। কিন্তু যাচাই-বাছাইয়ের পর ওয়াসার প্ল্যানই পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেয় মন্ত্রণালয়। এতে পুরো প্রকল্পের ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার কোটি টাকা।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন