উৎপাদন সক্ষমতা থাকলেও, নগরবাসীর পানির চাহিদা মেটাতে পারছে না চট্টগ্রাম ওয়াসা

0

উৎপাদন সক্ষমতা থাকলেও, নগরবাসীর পানির চাহিদা মেটাতে পারছে না চট্টগ্রাম ওয়াসা। সংকট নিরসনে ২৫ শতাংশ সিস্টেম লস কমিয়ে আনাই এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা। আর ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলছেন, চলমান প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন হলে সংকট নিরসনের পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র সারফেস ওয়াটার নির্ভর নগরী হবে চট্টগ্রাম।

কর্ণফূলী ও হালদা নদী থেকে তিনটি পানি শোধনাগারের মাধ্যমে দৈনিক ৩৬ কোটি লিটার পানি উৎপাদন করছে চট্টগ্রাম ওয়াসা। চাহিদার বাকি ৬ কোটি লিটার পানির যোগান আসে ৪৪টি ডিপ টিউবয়েল থেকে। চাহিদা ও যোগানের মধ্যে কোন তফাৎ না থাকলেও, বন্দরনগরীর বিভিন্ন এলাকায় চলছে পানির জন্য হাহাকার। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা বলছেন, ২৫ শতাংশ সিস্টেম লসই সংকটের মুল কারন।

দীর্ঘদিন পর শেখ হাসিনা পানি শোধনাগার ফ্রেজ-১ ও ফ্রেজ-২, শেখ রাসেল, মোহড়া ও ভান্ডালঝুড়ি পানি শোধনাগার নামের বেশ কয়েকটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে চট্টগ্রাম ওয়াসা। প্রকল্পগুলোতে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হলেও সাধারণ মানুষের অসচেতনতায় সিস্টেম লস ঠেকানো যাচ্ছেনা। আর ২০২২ সালের মধ্যে সব সংকট নিরসনের কথা জানিয়ে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বললেন, পরিবেশের কথা চিন্তা করে ডিপ টিউবয়েল থেকে সারফেস ওয়াটারের প্রতিই নির্ভরতা বাড়ানো হচ্ছে।

 

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন