উপায় থাকলে পোশাক শিল্পের অনেকেই কারখানা বন্ধ করত

0

ব্যবসা বন্ধ করার সহজ উপায় থাকলে তৈরি পোশাক শিল্পের অনেকেই কারখানা বন্ধ করত। কারণ পোশাকের দাম কম ও উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির মধ্যে সমন্বয় করে কারখানা চালাতে হিমশিম মালিকরা। এমন পর্যবেক্ষণ দিয়ে তারা জানান, রপ্তানি আদেশ ও মূল্য কমার ধকল সামলাতে না পেরে গত দু’বছরে সাড়ে ১২শ’ কারখানা বন্ধ হয়েছে। এছাড়া আরো পাঁচ থেকে সাতশো কারখানা বন্ধের পথে। অন্যদিকে, অ্যাকোর্ড ও অ্যালায়েন্সের শর্তপূরণ করতে না পেরেও ৩৯টি কারখানা বন্ধ হয়েছে।

একক দেশ হিসেবে সবচে বেশি তৈরি পোশাক রপ্তানি হয় যুক্তরাষ্ট্রে। গত অর্থবছরে যেখানে পাঁচশো কোটি ডলার পোশাক রপ্তানি হয়েছে। এছাড়া ইউরোপের বাজারে পোশাক রপ্তানি হয়েছে এক হাজার সাতশো কোটি ডলারের। কিন্তু ২০১৬ সালের শেষ তিন মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাকের দাম কমেছে ৩ দশমিক ৩ ভাগ এবং ইউরোপে এই হার ৪ দশমিক ৭১ ভাগ।

এদিকে, গত দুই বছরে গড়ে পোশাকের উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে আঠারো ভাগ। এরমধ্যে বিদুৎ ১৫ ও গ্যাস সরবরাহে খরচ বেড়েছে সাত ভাগ। এই সময়ে শ্রমিকদের বেতন বেড়েছে ৩০ ভাগ।

উদ্যোক্তারা জানান, ভারত পোশাক খাতকে এগিয়ে নিতে নানা ধরনের সুবিধা দিলেও সেই হারে সহায়তা পাচ্ছেন না তারা। উল্টো দুবর্ল অবকাঠামোর কারণে কারখানা চালু রাখা কঠিন হয়েছে পড়েছে।

তারা জানান, আমাদনিকারকরা অন্য দেশ থেকে বেশি দামে পোশাক কিনলেও বাংলাদেশ অনেক ক্ষেত্রে ন্যায্য মূল্যও দিতে চায় না। তাই পোশাকের দাম বাড়ানোর জন্য দর কষাকষিতে দক্ষতা বাড়াতে হবে।

শেয়ার করুন।