উপাচার্যসহ শীর্ষ ৫টি পদের শুন্যতায় স্থগিত হয়েছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা

0

উপাচার্যসহ শীর্ষ ৫টি পদের শুন্যতায় স্থগিত হয়েছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা। স্থবির হয়ে পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড। স্থগিত রয়েছে শিক্ষক নিয়োগও। এতে ক্ষতির মুখে পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত সাত হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। এদিকে, ক্ষতির দায় কোনভাবেই সরকার এড়াতে পারে না বলে দাবি করেছে সুশীল সমাজ। আর শিক্ষার্থীদের দাবি, তাদের ক্ষতি পুষিয়ে আনা সম্ভব নয়।

গেলো ৯ এপ্রিল নারী কেলেংকারীর ঘটনায় চাকরিচ্যুতি হন রেজিস্ট্রার মনিরুল ইসলাম। ২৫ জানুয়ারি থেকে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। ২৭ মে ভিসি প্রফেসর ড. এসএম ইমামুল হকের চার বছরের মেয়াদ শেষ হয়। এর আগে ২৬ মার্চের অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের রাজাকারের বাচ্চা বলায় তার অপসারণে আন্দোলনে শুরু হলে ইমামুল হককে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়। ওই সময় থেকে ভিসির অবর্তমানে চলতি দায়িত্ব দেয়া হয় ট্রেজারার অধ্যাপক ড. একেএম মাহবুব হাসানকে। গেলো ৭ অক্টোবর ট্রেজারার এবং পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের মেয়াদ শেষ হয়। এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরুর পর আজো নিয়োগ দেয়া হয়নি প্রো-ভিসি।

দীর্ঘদিন ধরে ৫টি পদ শূন্য থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সেশন জট আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন শিক্ষার্থীরা।

ভিসিসহ চুক্তিভিত্তিক পদগুলোর নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার দাবি কর্মকর্তাদের। আর শিক্ষকরা বলছেন, শিক্ষার্থীরা যে সেশন জটে পড়েছে তা সামাল দেয়া প্রায় অসম্ভব।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এ ক্ষতির দায় সরকারকেই নিতে হবে, বলছেন সুশীল সমাজ। আর ভিসি নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রক্রিয়া পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন।

এদিকে সব শূন্য পদ পূরণের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে শিক্ষার্থীরা।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন