উপকূলীয় অঞ্চলের বিভিন্ন জেলার লোকজন ঠাঁই নিয়েছে আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে

0

চট্টগ্রাম, ভোলা, পটুয়াখালী ও ঝালকাঠিসহ উপকূলীয় অঞ্চলের বিভিন্ন জেলার লোকজন ঠাঁই নিয়েছে আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিতরণ করা হয়েছে শুকনো খাবার। বন্ধ করে দেয়া হয়েছে সব ধরণের নৌযান চলাচল। লোকজনকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে নেয়ার জন্য কাজ করছে কোস্টগার্ড ও পুলিশ-সহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

ভোলার আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে ১ লক্ষ ২৫ হাজার মানুষ ঠাঁই নিয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মাসুদ আলম ছিদ্দিক। এরইমধ্যে আশ্রয়কেন্দ্রে শুকনো খাবার বিতরন শুরু করেছে প্রশাসন। সাতক্ষীরায় এ পর্যন্ত এলাকার ৬৫ হাজার মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে। চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত ঘোষণা করায় বাড়তি প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। ঘূর্নিঝড় মোকাবেলায় লক্ষ্মীপুরে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে জেলা প্রশাসক।আগাম প্রস্তুত রাখা হয়েছে ১শ টি আশ্রয় কেন্দ্র ও ৬৬টি মেডিকেল টিম। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে খোলা হয়েছে বিশেষ কন্ট্রোল রুম। খুলনায় সকাল থেকে দমকা বাতাস আর বৃষ্টি হচ্ছে। ঘূর্নিঝড় বুলবুলের প্রভাবে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন। চাঁদপুরে দুর্যোগ মোকাবেলায় ১১৭টি মেডিকেল টিম, স্থানীয় স্কাউট, রেডক্রিসেন্ট, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সদস্যদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন