আলোচিত একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় ১০ অক্টোবর

0

বিচারপ্রার্থীদের ১৪ বছরের অপেক্ষা এবং আদালতে ১১৯ কার্যদিবসের শুনানির পর, অবশেষে শেষ হয়েছে বহুল আলোচিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার বিচারকাজ। আগামী ১০ অক্টোবর, রায়ের দিন ঠিক করেছেন, ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন। উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, আসামীদের অপরাধ তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে প্রমাণিত হয়েছে। অন্যদিকে আসামীপক্ষের দাবি, অধিকতর তদন্তের নামে মামলাটি রাজনীতিকরণ করা হয়েছে।

একুশ আগষ্ট ২০০৪। বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে ত্রিমুখী আর্জেস গ্রেনেডের বিস্ফোরনে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে আশপাশের এলাকা। যার উদ্দেশ্য ছিলো আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাসহ দলের শীর্ষ নেতাদের হত্যা করা। বর্বরোচিত ওই হামলায় মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী আইভি রহমানসহ প্রাণ হারান ২৪। আহত হন শেখ হাসিনাসহ একশর’ বেশি নেতাকর্মী।

ওই ঘটনায় পুলিশের করা হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দু’টি মামলার দায় চাঁপানোর চেষ্টা করা হয় নোয়াখালীর সেনবাগের জজ মিয়ার ওপর। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কথিত সেই চেষ্টা এখন ‘জজ মিয়া নাটক’ নামে পরিচিত।

পরবর্তীতে ১ বছর ১০ মাস ১৯ দিন অধিকতর তদন্ত শেষে, ২০১২ সালের ১৮ মার্চ, আরো ৩০ জনকে আসামী করে ৫২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে, শুরু হয় ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামালা মামলার বিচারকাজ। এরমধ্যে মুফতি হান্নানসহ ৩ জনের অন্য মামলায় ফাঁসি কার্যকরের পর, এই দুই মামলা থেকে তাদের নাম বাদ দেয়া হয়। বর্তমানে ৪৯ জন আসামীর মধ্যে পলাতক ১৮ এবং কারাগারে আটক রয়েছে ২৩ জন। রাষ্ট্রপক্ষে ২২৫ এবং আসামীপক্ষে ১১ জন আদালতে তাদের সাফাই সাক্ষ্য দেন।

মঙ্গলবার দুপুর বারোটায় শুরু হয় আসামীপক্ষের আইনি যুক্তি খণ্ডন। ঘন্টা দেড়েকের শুনানি শেষে, আদালত জানায় আগামী ১০ অক্টোবর ঘোষণা করা হবে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়।

এরপরই গণমাধ্যমের কাছে উভয়পক্ষের আইনজীবীরা তাদের মূল্যায়ন তুলে ধরেন।

এদিন খালেদা জিয়ার ভাগ্নে সাইফুল ইসলাম ডিউকসহ জামিনে থাকা ৮ আসামির জামিন বাতিল করে কারাগারের পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন