আর বিদেশ থেকে ব্যান্ডউইথ কিনতে হবে না

0

দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল পুরোদমে চালু হলে বাংলাদেশের টেলিকম কোম্পানিগুলোকে আর বিদেশ থেকে ব্যান্ডউইথ কিনতে হবে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। শুধু তাই নয়, প্রত্যন্ত অঞ্চলে দ্রুত গতির ইন্টারনেট সেবাও কমপক্ষে ৩০ শতাংশ কম দামে দেয়া সম্ভব। এমনটাই দাবি, বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেডের। এদিকে, ইন্টারনেট সেবাদানকারী আইএসপি এসোসিয়েশন মনে করে, বাণিজ্যিক দিক বিবেচনা না করলে দ্বিতীয় সাবমেরিনের সুফল আরো ব্যাপকভাবে পেতে পারে বাংলাদেশ।

দৈনন্দিন জীবনের গতি এখন অনেকটাই নির্ভর করে মোবাইল ফোন আর ইন্টারনেট কানেকটিভিটির ওপর। আর এই কানেকটিভিটি নির্ভর করে কোন দেশ কতটা দ্রুততার সাথে অনলাইনে যুক্ত হতে পারে। বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো ২০০৫ সালে সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে সাবমেরিন কেবল ‘সি-মি-ইউ-৪’ এ যুক্ত হয়, যার মাধ্যমে ২৫০ জিবিপিএস পাওয়া গেলেও চাহিদার চে’ কম হওয়ায় ভারত থেকে আমদানি করতে হয় ২৮০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ। আশার কথা, দ্বিতীয় সাবমেরিনের কারণে আর আমদানী নয় ভারতেই ব্যান্ডউইথ রপ্তানিও করবে বাংলাদেশ।

তবে ইন্টারনেটের দাম বিবেচনায় দক্ষিণের জেলাগুলো খানিকটা বেশী সুবিধা পাবে বলে বিএসসিসিএলের পক্ষ থেকে জানানো হয়। কিন্তু ব্যবসায়ীরা বলছেন, শুধু বাণিজ্যিক বিবেচনায় নয়, ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসারের কথা মাথায় রেখেই দাম নির্ধারণ করা উচিৎ।

দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল হলে গুগলও বাংলাদেশে আসার যে আগ্রহ দেখিয়েছে, তার আগেই বাংলাদেশকে প্রস্তুত হতে হবে বলেও মত সংশ্লিষ্টদের।

শেয়ার করুন।