আধুনিক যন্ত্রাংশের সংযোজনের ফলে সক্ষমতা বেড়েছে চট্টগ্রাম বন্দরের

0

নতুন নতুন জেটি নির্মান, আধুনিক যন্ত্রাংশের সংযোজনের ফলে সক্ষমতা বেড়েছে চট্টগ্রাম বন্দরের। বহি:নোঙ্গরে জাহাজ ও টার্মিনালে কন্টেইনার জটও কমেছে। তবে বন্দর ব্যবহারকারীরা বলছেন, ভিশন টুয়েন্টি টুয়েন্টি ওয়ান আর রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়ন করতে হলে বন্দরের উন্নয়নে নিতে হবে নতুন নতুন পরিকল্পনা। আর টার্মিনাল অপারেটর বলছেন, নতুন টার্মিনাল নির্মাণসহ বন্দরের উন্নয়নে নেয়া প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন হলে অচিরেই লয়েড লিস্টের ৫০ নম্বরে আনা যাবে এই বন্দরকে।

চট্টগ্রাম বন্দরের অপারেশনাল কাজে গেল ১ বছরের ব্যবধানে ছোট খাটো বেশ কিছু যন্ত্রাংশ ছাড়াও ১০ টি গ্যান্ট্রিক্রেন যুক্ত হয়েছে । দ্রুত এগিয়ে চলছে পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনালের নির্মাণ কাজ। জমি অধিগ্রহণ ও দখলমুক্ত সম্পন্ন হয়েছে লালদিয়া টার্মিনালের। বে টার্মিনালের নির্মাণকাজ শুরু না হলেও নির্ধারিত জমিতে ট্রাক টার্মিনাল নির্মাণ শুরু হয়েছে। সবমিলিয়ে বন্দরকে ঘিরে এক বিশাল কর্মযোগ্য চলছে।

চলমান এসব প্রকল্প সঠিক সময়ে বাস্তবায়ন হলে, আগামী ৫ বছরের মধ্যে বিশ্বের শীর্ষ ৫০ টি বন্দরের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরকে নিয়ে আসা সম্ভব হবে বলে জানান বন্দরের টার্মিনাল অপারেটর।

দু বছর আগে বহিনোঙ্গরে অর্ধশতাধিক জাহাজের জট লেগে থাকলেও এখন তা নেমে এসেছে ২০টিতে। আর বন্দর টার্মিনালে ৬০ হাজার কন্টেইনারের স্থলে এখন রয়েছে ৩০ হাজারের কম।কিন্তু এতেও সন্তুষ্টু নন ব্যবসায়ী নেতারা।

শিপিং এজেন্টে এসোসিয়েশন বলছে, বন্দরের সক্ষমতা আগের চেয়ে বাড়লেও উৎসব-পার্বণ ও মৌসুমের বিভিন্ন সময় জটের সৃষ্টি হচ্ছে এখনো।

চট্টগ্রাম বন্দরের ভেতর থেকে প্রতিদিন ৭/৮ হাজার পণ্য বোঝাই কন্টেইনার ডেলিভারী হয় । এজন্য অন্তত ২০ হাজার বহিরাগত যাতায়াত করে। এতে বন্দরের কাজ বিঘ্নিত হওয়া ছাড়াও নিরাপত্তার ঝুঁকি রয়েছে।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন