নির্বাচনকে ঘিরে চট্টগ্রাম-৪ সীতাকুণ্ড আসনে আওয়ামী লীগের বিভক্তি চরমে পৌঁছেছে

0

আগামী সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে চট্টগ্রাম-৪ সীতাকুণ্ড আসনে আওয়ামী লীগের বিভক্তি চরমে পৌঁছেছে। আর বিএনপিতে রয়েছে নেতৃত্ব সংকট। বিএনপি’র দুর্গ হিসেবে পরিচিত এই আসনটির একক নেতা হিসেবে পরিচিত আসলাম চৌধুরী রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় কারাগারে থাকায় এই সংকট তৈরী হয়েছে দলটিতে। আর ব্যবসায়ী থেকে রাজনীতিতে এসে ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে এমপি হওয়া দিদারুল আলমকে এখনো দলের নেতা হিসেবে মেনে নিতে পারেননি তৃণমূলের কর্মীরা। তারপরও দলীয় প্রধান মনোনয়ন দিলে নৌকার প্রার্থীকেই জয়ী করতে চান নেতারা।

ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন শিল্প উপজেলা সীতাকুণ্ড। বিএনপির ঘাটি হিসেবে পরিচিত এই উপজেলাটি দেশব্যাপী আলোচনায় আসে ২০১৪ ও ২০১৫ সালে সরকার বিরোধী আন্দোলনের সময়। কিন্তু গত চার বছরে দিন বদলে গেছে অনেক। সীতাকুণ্ড বিএনপির একচ্ছত্র অধিপতি লায়ন আসলাম চৌধুরী কারাগারে। শত শত মামলায় ছন্নছাড়া কর্মী সমর্থকরা। তারপরও সুষ্ঠু ভোট হলে আবারো বিপুল ভোটে বিএনপি জয়ী হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী।

আন্দোলনের নামে যখন সবচেয়ে বেশি অস্থির হয়ে উঠেছিলো সীতাকুণ্ড, ঠিক তখন বিএনপি দলীয় চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র মনজুর আলমের ভাতিজা ব্যবসায়ী দিদারুল আলমকে ডেকে নিয়ে নৌকার টিকিট ধরিয়ে দেন আওয়ামী লীগ। উন্নয়নও করেছেন অনেক। তাই এবারও দলীয় মনোনয়ন আর জনগণের রায় দুটোই পাবেন বলে আশার কথা জানান তিনি। এর বাইরে উত্তর জেলা যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম আল মামুন, ঢাকাস্ত সীতাকুণ্ড সমিতির সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী ও শিল্পপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তানভিরও আছেন মনোনয়ন দৌড়ে।

আর আলোচিত এই আসনটির সাধারণ ভোটাররা জানান, ভোট দেয়ার সুযোগ পেলে যোগ্য প্রার্থীকেই বেছে নেবেন তারা। বড় দুই দলের বাইরে জাতীয় পার্টির প্রার্থী দিদারুল কবির প্রচারণায় এগিয়েছেন বেশ।এককভাবে নির্বাচনের প্রস্তুতির পাশাপাশি জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন হলে মহাজোটের কাণ্ডারী হতেও প্রস্তুত তিনি। *ফুটেজ-৩* এছাড়া জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে ছাত্রশিবিরের সাবেক নেতা আনোয়ার সিদ্দিকী চৌধুরীর নামও আলোচনায় আছে।আইনগত জটিলতায় আসলাম চৌধুরী নির্বাচনে অযোগ্য হলে তিনিই হবেন বিএনপি জোটের প্রার্থী।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন