আগামী অর্থবছরে মেগা প্রকল্পগুলো দ্রুত সম্পন্ন করতে বাজেট বরাদ্দ

0

আগামী অর্থবছরে মেগা প্রকল্পগুলো দ্রুত সম্পন্ন করতে বাজেট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। পদ্মা সেতু, রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্র, এমআরটি লাইন-৬ কর্ণফূলী সেতু প্রকল্প, কর্ণফূলী টানেলের কাজে অর্থ বরাদ্দও উল্লেখ করার মতো। উচ্চ প্রবৃদ্ধি ও অগ্রযাত্রা ধরে রাখতে বাজেটে যোগাযোগ অবকাঠামো খাতে এমন প্রস্তাবনা দেয়া হয়েছে। এদিকে আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে তিন কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে বেকারত্বের অবসান ঘটানো হবে বলে বাজেট বক্তব্যে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী ।

২০১৯-২০ অর্থবছরে ২৮ হাজার ৫১ কোটি টাকা বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে ৪০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্র অর্জনে এখাতে বরাদ্দ দেয়া হয়। বিশেষ করে মাতারবাড়ি ১২০০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক প্রকল্প, পায়রায় ১৩২০ মেগাওয়াটা থার্মাল পাওয়ার প্রজেক্ট এবং মহেশখালির ১০ হাজার মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প এবং রুপপুরের ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে এই বাজেটের বেশিরভাগ ব্যয় হবে।

আর অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এবং উন্নয়ন তরান্বিত করতে যোগাযোগ ও অবকাঠামো খাতে ৬১ হাজার ৪৫৫ কোটি টাকার বরাদ্দের প্রস্তাবনা রয়েছে। এর মধ্যে ১৬ হাজার ৪৪১ কোটি টাকা এই অর্থবছরে খরচ হবে।

সবচেয়ে বেশি অর্থ বরাদ্দ ম্যাস রেপিড ট্রানজিট বা এমআরটি লাইন-৬ এর জন্য প্রস্তাবনা এসেছে। টাকার অংকে পরিমাণ ৭ হাজার ২১২ কোটি টাকা। পদ্মা সেতুর কাজ দ্রুত শেষ করতে এ অর্থবছরে ৫ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা ছাড় হতে পারে। কর্ণফুলী টানেলের জন্য ১ হাজার ৩৫০কোটি। এলিভিটেড এক্সপ্রেসওয়ে সহায়তায় ১ হাজার ৩৮কোটি টাকা। এলিভিটেড এক্সপ্রেস ঢাকা আশুলিয়া প্রকল্পে রয়েছে ৭০৫কোটি টাকার সুপারিশ।

এরপরই রয়েছে বিআরটি এম আরটি আর আন্ডাগ্রাউন্ড মেট্রোরেলের বরাদ্দ যথাক্রমে ৪৫৬, ১৬২ এবং ৮২ কোটি টাকা।আর চলমান কর্ণফুলী সেতু জন্য এবছর আরো ৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

২০৪১ সালের মধ্যে আর্ন্তজাতিক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ উন্নত করতে এ বাজেটে বিশেষ দৃষ্টি রাখা হয়েছে বলে জানানো হয়।

সমৃদ্ধ আগামীর পথযাত্রায় বাংলাদেশ’ শীর্ষক সবচেয়ে বড় বাজেটের প্রস্তাবনা দিয়েছে সরকার।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন