আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতার পরও নুতন-নতুন কৌশলে চলছে ইয়াবা পাচার

0

ইয়াবা পাচারের ক্ষেত্রে প্রতিদিন নিত্য নতুন কৌশল আবিস্কার করছে মাদক ব্যবসায়ীরা। মানুষের শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর অঙ্গ প্রত্যঙ্গে ছাড়াও নারকেল, পেঁয়াজ, আখসহ বিভিন্ন সবজির ভেতরে এমনকি পর্যটকবাহী, পিকনিক এবং বিয়ের গাড়িতে করেও সর্বনাশা ইয়াবা ছড়িয়ে পড়ছে সারাদেশে। তবে মাদক পাচারকারীরা যে পদ্ধতিই অবলম্বন করুক না কেন, তা মোকাবেলা করার সক্ষমতার কথা জানিয়েছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। আর আইনজীবীরা বলছেন, গ্রেফতার হওয়া মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করার ক্ষেত্রে গাফিলতির কারণে বিচারের দৃষ্টান্ত স্থাপন হচ্ছে না। তাই মদক ব্যবসার প্রবণতাও কমছে না।

পাশের দেশ মিয়ানমারে তৈরি ইয়াবা। গোলাপী রংয়ের ছোট এ ট্যাবলেটটিই এখন নেশা জগতের মুকুটহীন রাজা। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে হালে রং বদলে সাদাও হয়েছে কোথাও কোথাও। আর পাচারের ক্ষেত্রে জুতার ফাঁকে, বেল্টের ভেতরে, এমনকি আখের ভেতর ছাড়াও হাজারো পন্থা বেছে নিচ্ছে মাদক ব্যবসায়ীরা। যা টেকনাফ, কক্সবাজার হয়ে চট্টগ্রাম এসে ছড়িয়ে পড়ছে সর্বত্র। প্রতিদিন অবিস্কার হওয়া এমন নিত্য নতুন কৌশলের বর্ণনা দিলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের এই কর্মকর্তা।

সরকার মাদকের বিরুদ্ধে জিরো ট্রলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছে। তাই মাদক পাচারকারিরা যে পন্থাই অবলম্বন করুক না কেন তা রুখে দেয়ার সক্ষমতা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর রয়েছে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

বৃহত্তর চট্টগ্রামের কোথাও না কোথাও প্রতিদিন ছোট বড় অসংখ্য মাদকের চালান ধরা পড়ছে। গ্রেফতারও হচ্ছে অনেক মাদক ব্যবসায়ী। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা দুর্বল আর সাক্ষ্য প্রমাণের অভাব থাকায় জামিনে বেরিয়ে ফের জড়িয়ে পড়ছে মাদক ব্যবসায়।

গেল শুক্রবার ভোরে চট্টগ্রামের তৃতীয় কর্ণফূলী সেতু এলাকায় কক্সবাজার থেকে যশোরগামী পিকনিকের বাসে অভিযান চালিয়ে আড়াই লাখ ইয়াবা উদ্ধার করে রেব। এটিই এবছরের সবচে বড় চালান। একই দিন পটিয়ায় আরেকটি পিকনিকের বাস থেকে ১৯ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এর আগে পর্যটক,এমনকি বর যাত্রীবাহী গাড়ি থেকেও ইয়াবার চালান উদ্ধার করা হয়।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন