অস্থিতিশীল সুতার বাজার ও বিদেশী কাপড় আমদানির কারণে লোকসান গুণছে নরসিংদীর টেক্সটাইল শিল্প-মালিকরা

0

অস্থিতিশীল সুতার বাজার ও বিদেশী কাপড় আমদানির কারণে লোকসান গুণছে নরসিংদীর টেক্সটাইল শিল্প-মালিকরা। বছরের পর বছর অব্যাহত লোকসানে হুমকির মুখে পড়েছে দিশেহারা তারা। লোকসানে জেলার ৬০ ভাগ টেক্সটাইল এরইমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে ব্যবসায়ীরা। এ শিল্পকে বাঁচাতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে শিগগির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন টেক্সটাইল মালিকরা।

দেশজুড়ে দেশীয় কাপড়ের চাহিদার প্রায় সিংহভাগ উৎপাদন হয়ে থাকে নরসিংদীর টেক্সটাইলগুলোতে। কিন্তু একদিকে দফায় দফায় বাড়ছে সুতার দাম, অন্যদিকে কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী বন্ডের অপব্যবহার করে প্রয়োজনের তুলনায় দেশীয় বাজারে আনছে বিদেশী কাপড়। এতে উৎপাদন ব্যয় বাড়লেও বাজারে বাড়েনি কাপড়ের দাম। এছাড়া অবাধে বিদেশি কাপড় আমদানির ফলে অসম প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছে না এ শিল্পখাত। এই অবস্থায় বিষফোঁড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে ব্যাংক লোনের সুদ। ওয়ান ডিজিট সুদে ব্যাংক লোন দেয়ার কথা থাকলেও তা বাস্তবায়ন না হওয়ার অভিযোগ ব্যবসায়ীদের।

তবে, সুতা ব্যবসায়ীরা জানান, অপরিকল্পিত ব্যবসা ও বিদেশী সুতা এবং কাপড় আমদানীই টেক্সটাইল ব্যবসায়ীদের ধ্বংসের মূল কারণ।
শিল্প ও বস্ত্র মন্ত্রণালয় এবং রাজস্ব বোর্ড এই তিন দপ্তরের সমন্বিত প্রচেষ্টাই এই শিল্পকে বাঁচাতে পারে বলে জানিয়েছে ব্যবসায়ী নেতারা। টেক্সটাইল শিল্পকে বাঁচাতে বিদেশী কাপড় আমদানী বন্ধ করা ও ওয়ান ডিজিটে ব্যাংক লোন বাস্তবায়নসহ সুতার বাজারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঠিক তদারকির দাবি সকল ব্যবসায়ীদের।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন