অবশেষে রংপুরেই চির নিদ্রায় শায়িত হলেন এরশাদ

0

জনতার জনস্রোতে অবশেষে রংপুরেই চির নিদ্রায় শায়িত হলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। শেষ পর্যন্ত উপেক্ষিত হয়নি মানুষের বাঁধ ভাঙ্গা ভালবাসা। তাই নিজ সন্তানকে শায়িত করতে প্রহরীর ভুমিকায় ছিল এরশাদ ভক্তরা। দলটির শীর্ষ নেতারা বলছেন, মানুষের অকুন্ঠ ভালবাসার কারনেই পূরন হয়েছে পল্লীবন্ধুর শেষ ইচ্ছা।

রোববার ঢাকার সিএমএইচে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুর পর শোকে আচ্ছন্ন হয়ে যায় রংপুর। মৃত্যুর খবর শুনে জেলা ও মহানগর কার্যালয়ে আসতে থাকে দলটির নেতা-কর্মীসহ এরশাদ ভক্ত ও অনুরাগীরা। জনতার দাবীর মুখে মহানগর জাতীয় পার্টির নেতারা প্রিয় মানুষটির সমাধি রংপুরেই দাবী করেন। সোমবার পূনরায় রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের যৌথ সভায় আবার রংপুরেই সমাধির ঘোষনা দেয় দলটি।

জনতার দাবী উপেক্ষা করে বনানীর সামরিক কবর স্থানে এরশাদকে সমাধিস্থ করার ঘোষনায় অটল থাকলে ফুলে ফেপে উঠে দলটির স্থানীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা। তবে জানাযার পর পাল্টে যায় চিত্র মরদেহ বহনকারী গাড়ীটির নিয়ন্ত্রন চলে যায় এরশাদ ভক্তদের অনুকুলে। পরে প্রহরীর ভুমিকায় আর জনস্রোতে পল্লীবন্ধুর মরদেহ নেয়া হয় পল্লী নিবাসে। দাফন করা হয় তার পছন্দের লিচু তলায়। তাকে রংপুরেই শায়িত করতে পেরে খুশি ভক্ত অনুরাগীরা।

দলটির নেতারা বলছেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ ওসিয়ত করেছিলেন রংপুরের মাটিতে শায়িত হবার। তাই ওসিয়তকৃত স্থান লিচুতলায় শায়িত করা হয়েছে সাবেক রাষ্ট্রপতিকে। জনতার অকুন্ঠ ভালবাসায় পূরণ হয়েছে প্রিয় মানুষটির স্বপ্ন।

তাই প্রিয় নেতার বিদায় বেলায় মানুষের অকৃত্রিম ভালবাসা দলটিকে শক্তি জোগাবে বলে মনে করেন অনেকেই।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন