অবশেষে উচ্চ আদালতের হস্তক্ষেপে স্বামী এবং সন্তানের স্বীকৃতি পেলেন

0

অবশেষে উচ্চ আদালতের হস্তক্ষেপে– স্বামী এবং সন্তানের স্বীকৃতি পেলেন, কিশোরগঞ্জের গাইঠাল লামপাড়া গ্রামের প্রতিবন্ধী নারী- ঝুমা আক্তার। হাইকোর্টের এই রায়কে দৃষ্ট্রান্ত হিসেবে দেখছেন, মানবাধিকার কর্মী এবং আইনজীবীরা। দু’লাখ টাকা দেনমোহর প্রতিবন্ধী ঝুমাকে বিয়ের শর্তে রাজি হওয়ায়, সকালে বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেনের নেতৃত্বাধীন দুই বিচারপতির বেঞ্চ– কারাগারে থাকা রানার শর্তযুক্ত জামিন মঞ্জুর করে।

জন্মবার পর থেকে আদালতের বারান্দায়ই বেশি সময় পার করতে হয়েছে ছোট্ট শিশু জুইকে। দু’বছর ন’মাস বয়সী শিশুটি আজো পায়নি জন্মদাতার স্বীকৃতি। অবুঝ জুইয়ের চেয়ে তার মা ঝুমা আক্তারের অবস্থা আরো করুণ। বিয়ে ছাড়া এই প্রতিবন্ধী নারীর সন্তান প্রসবকে মেনে নেয়নি কেউ। আর জুই এবং ঝুমার এই দুর্ভাগ্যে নেপথে যে মানুষটির নাম রানা। ৩২ বছর কারদণ্ডের সাজা নিয়ে করাগারে থাকা রানা উচ্চ আদালতে জামিনের জন্য এলে ভাগ্যখুলে ঝুমা এবং জুইয়ের। উভয়পক্ষকে শুনে ঝুমাকে বিয়ের শর্তে ৩০ মে রানাকে জামিন দেয়া হবে বলে জানায় আদালত।

মানবাধিকার কর্মী এবং আইনজীবীরা বলেন হৃতভাগ্য দুই নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় দৃষ্ট্রান্ত স্থাপন করেছে হাইকোর্ট। বিষয়টি মিমাংসা হওয়ায় শশুরের অনুরোধে ক্যামেরার সামনে আর কথা বলতে রাজি হয়নি অধিকার ফিরে পাওয়া ঝুমা ও তার স্বজনরা।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন