অপরিকল্পিত স্লুইচগেট নির্মাণের ফলে গোপালগঞ্জে বিভিন্ন খালের মুখ পলি জমে ভরাট হয়ে গেছে

0

অপরিকল্পিত স্লুইচগেট নির্মাণের ফলে গোপালগঞ্জে বিভিন্ন খালের মুখ পলি জমে ভরাট হয়ে গেছে। এর প্রভাব পড়েছে কয়েক হাজার একর কৃষি জমিতে। ফলে সেচ দিতে পারছেন না কৃষকরা। তাই বাধ্য হয়ে গভীর নলকূপের পানি ব্যবহার করতে হচ্ছে তাদের। এতে বাড়ছে উৎপাদন খরচ। তাই দ্রুত খালগুলোর মুখ খননের দাবী জানিয়েছে কৃষকরা।

গোপালগঞ্জ-টেকেরহাট সড়কের ৩৫ কিলোমিটার জায়গায় রয়েছে মধুমতি বিলরুট ক্যানেল ও কুমার নদ। আর এ এলাকায় রয়েছে অন্তত ৮টি খাল। বছরের প্রায় আট মাস এসব খালে পানি থাকে না। প্রতিটি খালের মুখে রয়েছে স্লুইচ গেট। এর ফলে পলি পড়ে ভরাট হয়ে বন্ধ হয়ে গেছে খালের মুখগুলো। দীর্ঘ দিন ধরে এসব খাল খনন না করায় মুক্ত জলাশয়ের পানির উৎস নষ্ট হচ্ছে। আর এর প্রভাব পড়ছে কৃষকদের উপর। এ অবস্থার জন্য অপরিকল্পিতভাবে স্লুইচগেট নির্মানকে দায়ী করেছেন কৃষকরা।

খালের মুখ পলি পড়ে ভরাট হয়ে যাওয়ায় কৃষি জমিতে পানি সরবরাহ করা যাচ্ছে না। আর এ কারনে ভূগর্ভস্থ পানি দিয়ে সেচ কাজ চালাতে হচ্ছে কৃষকদের। সেচ পাম্পগুলো চালাতে বিদ্যুৎ ও ডিজেলের ব্যবহার বাড়ছে।

কৃষি কর্মকর্তা জানালেন স্লুইচ গেটগুলোর মুখ দ্রুত খনন করা না হলে কৃষকদের ফসল উৎপাদনের ব্যয় বাড়বে। প্রতি বছর স্লুইচ গেটের মুখের পলি কেটে খালের পানি সচল রাখার আশ্বাস দিলেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী। খাদ্য শস্যের উৎপাদন বাড়াতে ও খরচ কমাতে স্লুইচগেটগুলো নদীর সমানে পুনরায় স্থাপন করে খাল খননের দাবী জানিয়েছেন জেলার কৃষকরা।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন