অপরিকল্পিত ফসল চাষই দারিদ্রের মূল কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে চরাঞ্চলের লক্ষাধিক কৃষকের

0

অপরিকল্পিত ফসল চাষই দারিদ্রের মূল কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলের লক্ষাধিক কৃষকের। চরের জমিতে যেনতেনভাবে বিভিন্ন ফসল চাষ করে সারা বছরের খাবারই জোটাতে পারছে না তারা। এ অবস্থায় অনেকেই জীবিকার তাগিদে কৃষিকাজ ছেড়ে জড়িয়ে পড়ছে অন্য পেশায়।

কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, কুড়িগ্রাম জেলায় ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, তিস্তাসহ ১৬টি নদ-নদীর অববাহিকায় ৪শ’ ৫০টি চর রয়েছে। এর মধ্যে ৩শ ৬৮টি চরে ৪৫ হাজার ২শ’ ৯৮ হেক্টর জমির মধ্যে আবাদী জমি ৩৪হাজার ৩শ’ ২৭ হেক্টর। যুগ যুগ ধরে এসব জমিতে সনাতন পদ্ধতিতে ধান, গম, কাউন, চিনাসহ বিভিন্ন জাতের ডাল জাতীয় ফসল চাষ করে আসছে কৃষকরা। জমির গুনাগুন বিবেচনা না করে অপরিকল্পিতভাবে ফসল চাষ করায় আবাদ করা ফসলের তিন ভাগের দুই ভাগই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

কৃষি বিভাগের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাছ থেকে যথাযথ পরামর্শ ও প্রণদনা পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ কৃষকদের। তবে কৃষি বিভাগের এ কর্মকর্তা জানান, চরাঞ্চলের কৃষি উন্নয়নে একটি প্রকল্প চলমান রয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় চরের জমিতে ভালো ফসল ফলাতে কৃষকদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি। সরকারিভাবে চরের কৃষি উন্নয়নে উপযুক্ত পদক্ষেপ নিলে চরাঞ্চলের ফসলই বদলে দিতে পারে কুড়িগ্রামের অর্থনীতির চিত্র।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন